• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

ডাক মারার তালিকায় তামিমের বিশ্বরেকর্ড

Reporter Name / ১৭৪ Time View
Update : শুক্রবার, ১৬ জুলাই, ২০২১

ডাক মারার তালিকায় তামিমের বিশ্বরেকর্ড ।ওয়ানডেতে ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশিবার শূন্যরানে আউট হন তামিম।আর এরই সঙ্গে ডাক মারার কলঙ্কিত রেকর্ডের খাতায় শীর্ষে নাম লেখালেন বাংলাদেশের সবচেয়ে সফলতম ওপেনার।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়াডে সিরিজের প্রথমটিতে নিজের ও দলের খাতা শূন্য রেখেই আউট হয়ে গেলেন তামিম ইকবাল।পেসার মুজারাবানির দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই উইকেটরক্ষক চাকাভার হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে আউট হন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ৭ বল মোকাবিলা করে রানের খাতাই খুলতে পারেননি তিনি। ওয়ানডেতে ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশিবার শূন্যরানে আউটের শিকার এখন তিনিই।

ওয়ানডেতে তামিমের এটি ১৯তম শূন্য। ১৮ শূন্য নিয়ে এতদিন সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশারের সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে ছিলেন তামিম। শুক্রবার হাবিবুল বাশারকে দুইয়ে নামালেন তিনি। ১৫টি করে ডাক মেরে এই সংস্করণে যৌথভাবে তৃতীয় অবস্থানে আরেক সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা ও স্পিনার মোহাম্মদ রফিক। তবে লজ্জার রেকর্ডে সব দেশ মিলিয়ে ওপেনার হিসেবে শীর্ষে আছেন যিনি, তার নাম শুনলে হয়তো কষ্ট কিছুটা লাঘব হবে বাংলাদেশিদের। ওপেনারদের মধ্যে শূন্যের বিশ্বরেকর্ডের শীর্ষে লঙ্কান কিংবদন্তি সনৎ জয়াসুরিয়া, ২৯টি। ২৩টি ডাক নিয়ে দ্বিতীয়তে আছেন ক্যারিবীয় দানব ক্রিস গেইল। আর তামিমের অবস্থান তিনে।

আর তিন সংস্করণ মিলিয়ে তামিমের শূন্য এখন ৩৪টি। এতদিন ৩৩ শূন্য নিয়ে মাশরাফির সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে ছিলেন। মাশরাফি দ্বিতীয়তে নেমে যাওয়ায় ৩১ ইনিংসে শূন্য নিয়ে তৃতীয়তে আশরাফুল। তিন সংস্করণ মিলিয়েও ওপেনারদের মধ্যে শূন্য রানে আউট বিশ্বরেকর্ডে তামিম আছেন তিনে। ৪৫টি শূন্য জয়াসুরিয়ার, ৪০টি গেইলের।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।