• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি ২২ বছর পর রাজশাহীতে যাচ্ছেন তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা

উল্টোপথে আসা ট্রাকের ধাক্কায় অ্যাম্বুলেন্সের যাত্রী নিহত ২

Reporter Name / ১৯৪ Time View
Update : শনিবার, ২২ মে, ২০২১

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে শনিবার সকালে কুমিল্লা থেকে ঢাকাগামী একটি অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে উল্টো পথে আসা একটি বেপরোয়াগতির ট্রাকের মুখোমুখি সংর্ঘষে দুইজন নিহত হয়েছেন।

এছাড়াও আহত হয়েছেন আরও তিনজন। হতাহতরা সবাই অ্যাম্বুলেন্সের যাত্রী। সোনারগাঁওয়ের নয়াবড়ি এলাকায় অনন্ত গার্মেন্টসের সামনে শনিবার সকাল সাড়ে ৬টার এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পণ্যবাহী ট্রাকটি রহিম স্টিল মিলের সামনে ইউটার্ন থেকে উল্টোপথে মদনপুরের দিকে যেতে থাকে। একপর্যায়ে এটি নয়াবড়ি এলাকায় অনন্ত গার্মেন্টসের সামনে ঢাকাগামী অ্যাম্বুলেন্সটিরে সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

এতে অ্যাম্বুলেন্সটি দুমড়েমুচড়ে রাস্তার ওপর উল্টে পড়ে যায় ও ঘটনাস্থলেই রোগীর সঙ্গে আসা একজন ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরেকজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়।

আহত হয় রোগীসহ কমপক্ষে ৩ জন। কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ডিউটি অফিসার এএসআই আরিফ যুগান্তরকে জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহত ওই দুজনের লাশ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।

দুর্ঘটনার পর কাঁচপুর কিউট পল্লী এলাকা থেকে মহাসড়কের দুই প্রান্তে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ২ ঘণ্টাব্যাপী তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। যানজটের কবলে পড়ে  যাত্রীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হন।

কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান মনির জানান, কুমিল্লার তিতাস উপজেলা এলাকা থেকে শনিবার ভোরে ছেড়ে আসা রোগীবাহী একটি অ্যাম্বুলেন্সের কাঁচপুর কিউট পল্লী এলাকায় অনন্ত গার্মেন্টসের সামনে উল্টো দিক দিয়ে আসা পণ্যবাহী ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এসময় অ্যাম্বুলেন্সের ভিতরে থাকা রোগীর স্বজন মো. হুমায়ুন (৪০) ঘটনাস্থলে ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে ফারুক হোসেন (৩৫) নামের আরেকজন মারা যায়। রোগীসহ আহত হন কমপক্ষে ৩ জন। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশংকাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

নিহত মো. হুমায়ুনের বাড়ি কুমিল্লার তিতাস উপজেলার গোপালপুর সরকার বাড়ি এলাকায়। তার পিতার নাম জানু মোল্লা। নিহত ফারুক হোসেনের বাড়িও একই এলাকায়। তার পিতার নাম আব্দুস সালাম।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ট্রাক ও অ্যাম্বুলেন্সটি উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।