• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
অসুস্থ ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনুকে দেখতে হাসপাতালে মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ রাজশাহীতে নারীসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ট্যাপেন্টাডল-গাঁজা উদ্ধার দুর্গাপূজার মণ্ডপে মণ্ডপে রাসিক প্রশাসক, শুভেচ্ছা বিনিময় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার অধিকার সমান: সমাজকল্যাণমন্ত্রী পেনাল্টি মিস, তবু গোলসংখ্যায় মেসির চেয়ে এগিয়ে রোনালদো মাগুরায় যুবদল নেতার লাশ উদ্ধার, গুলিতে হত্যার অভিযোগ বিজয়া দশমীতে সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন নারীরা মোদির বাসভবনের পাশে মসজিদ উচ্ছেদের নোটিশ রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় মোবাইল খুইয়েছেন ৯ নেতা-কর্মী তিন বিভাগ সফর শেষে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার অধিকার সমান: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

Reporter Name / ১৪ Time View
Update : বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার সমান উল্লেখ করে মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশের সব মানুষের পরিচয় বাংলাদেশি। তাই কাউকে নিজেকে দুর্বল বা সংখ্যালঘু মনে করার কোনো কারণ নেই।

তিনি বলেন, ধর্মীয় পরিচয়ে মানুষ আলাদা হতে পারে, কেউ পাহাড়ে, কেউ সমতলে বসবাস করতে পারে। কিন্তু দিনশেষে সবাই বাংলাদেশের নাগরিক এবং প্রত্যেকের অধিকার সমান। একটি সুন্দর, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

আজ বুধবার দুপুরে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট পৌরসভা এলাকার কাদিমনগর সার্বজনীন দুর্গাপূজা মন্দির পরিদর্শন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্ব হচ্ছে সব সময় জনগণের পাশে থাকা, মানুষের কথা বলা এবং জনকল্যাণে কাজ করা। শুধু নির্বাচনের সময় মানুষের কাছে যাওয়া নয়, বরং সারা বছর মানুষের সেবা নিশ্চিত করাই রাজনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, গত বছর দুর্গাপূজার মণ্ডপে পাহারা দিতে যাদের দেখা গেছে, এ বছর তাদের আর দেখা যাচ্ছে না। নির্বাচনের আগে হিন্দু সম্প্রদায়ের সমর্থন পাওয়ার জন্য মণ্ডপে স্বেচ্ছাসেবক পাঠানো হলেও ভোট না থাকায় এখন তাদের অনুপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে তিনি প্রশ্ন করেন, ‘তাহলে কী ক্ষমতার জন্যই রাজনীতি করেন তারা?’

মন্ত্রী বলেন, বিএনপি বিরোধী দলে থাকাকালেও জনগণের পাশে ছিল। বর্তমানে সরকারে থেকেও দলটির নেতাকর্মীরা মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন। যারা বড়-বড় কথা বলেন, গত বছর তারা কী করেছেন এবং এ বছর কী করছেন, তা জনগণের বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

তিনি বিএনপির নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, জনগণের মধ্যে দলের প্রতি যে আস্থা ও বিশ্বাস তৈরি হয়েছে, তা ধরে রাখতে হবে এবং আরও সুদৃঢ় করতে হবে। মানুষের কল্যাণে কাজ করার মধ্য দিয়ে এই আস্থার প্রতিফলন ঘটাতে হবে।

মতবিনিময় সভায় ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবানা তানজিন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল আল মামুন কাওসার শেখ, ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাহমুদ হাসান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এসএম শামীম হোসেন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মো. আবু সাইদ মিয়া, পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুস সাত্তার মিলন, সাধারণ সম্পাদক মো. মুক্তার হোসেন এবং কাদিমনগর সার্বজনীন দুর্গামন্দিরের সভাপতি হিমাংশু কুমার সাহাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।