• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
অসুস্থ ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনুকে দেখতে হাসপাতালে মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ রাজশাহীতে নারীসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ট্যাপেন্টাডল-গাঁজা উদ্ধার দুর্গাপূজার মণ্ডপে মণ্ডপে রাসিক প্রশাসক, শুভেচ্ছা বিনিময় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার অধিকার সমান: সমাজকল্যাণমন্ত্রী পেনাল্টি মিস, তবু গোলসংখ্যায় মেসির চেয়ে এগিয়ে রোনালদো মাগুরায় যুবদল নেতার লাশ উদ্ধার, গুলিতে হত্যার অভিযোগ বিজয়া দশমীতে সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন নারীরা মোদির বাসভবনের পাশে মসজিদ উচ্ছেদের নোটিশ রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় মোবাইল খুইয়েছেন ৯ নেতা-কর্মী তিন বিভাগ সফর শেষে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় মোবাইল খুইয়েছেন ৯ নেতা-কর্মী

Reporter Name / ১৯ Time View
Update : বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা শেষে মোবাইল ফোন হারানোর অভিযোগ করেছেন অন্তত ৯ জন নেতা–কর্মী। তাদের মধ্যে সাতজন রাজপাড়া থানায় এবং একজন বোয়ালিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। তবে আরও কয়েকজন ফোন হারালেও এখনো থানায় অভিযোগ করেননি।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। জনসভায় ফোন হারানো ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) চেয়ারম্যান ও মহানগর বিএনপির সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ সুইটের ছেলে তাওসীফ আজাদ। এ ঘটনায় বোয়ালিয়া থানায় জিডি করা হয়েছে।

আরডিএ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট বলেন, প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য শেষ করে চলে যাওয়ার সময় তাঁর ছেলে মঞ্চের পেছনের দিকে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তখন ভিড়ের মধ্যে কেউ তাঁর মোবাইল ফোনটি নিয়ে যায়।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার বিকেল ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত রাজপাড়া থানায় মোবাইল হারানোর ঘটনায় সাতটি জিডি হয়েছে। তবে ফোন হারানোর ঘটনায় আরও কয়েকজন এখনো থানায় অভিযোগ করেননি।

তাদের একজন জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ফরহাদ বাদশা। তিনি ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে জানান, মাদ্রাসা মাঠে বিএনপির জনসভায় তাঁর মোবাইল ফোন চুরি হয়েছে। ফোনটি হারানোর পর অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো মেসেজ বা বিব্রতকর পোস্ট এলে তা এড়িয়ে যাওয়ার অনুরোধও জানিয়েছেন তিনি।

ফরহাদ বাদশা জানান, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শেষে মাদ্রাসা মাঠের প্রধান ফটক দিয়ে বের হওয়ার সময় পাঞ্জাবির পকেট কেটে তাঁর মোবাইল ফোনটি নিয়ে যাওয়া হয়। তবে এ ঘটনায় তিনি এখনো জিডি করেননি। বুধবার থানায় গিয়ে জিডি করবেন বলে জানান তিনি।

রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, এখন পর্যন্ত মোবাইল হারানোর ঘটনায় সাতটি জিডি হয়েছে। ফোনগুলো উদ্ধারে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিট কাজ করবে। এ ঘটনায় জড়িত কাউকে শনাক্ত করা গেলে আইনের আওতায় আনা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।