• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
অসুস্থ ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনুকে দেখতে হাসপাতালে মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ রাজশাহীতে নারীসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ট্যাপেন্টাডল-গাঁজা উদ্ধার দুর্গাপূজার মণ্ডপে মণ্ডপে রাসিক প্রশাসক, শুভেচ্ছা বিনিময় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার অধিকার সমান: সমাজকল্যাণমন্ত্রী পেনাল্টি মিস, তবু গোলসংখ্যায় মেসির চেয়ে এগিয়ে রোনালদো মাগুরায় যুবদল নেতার লাশ উদ্ধার, গুলিতে হত্যার অভিযোগ বিজয়া দশমীতে সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন নারীরা মোদির বাসভবনের পাশে মসজিদ উচ্ছেদের নোটিশ রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় মোবাইল খুইয়েছেন ৯ নেতা-কর্মী তিন বিভাগ সফর শেষে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

পেনাল্টি মিস, তবু গোলসংখ্যায় মেসির চেয়ে এগিয়ে রোনালদো

Reporter Name / ১৬ Time View
Update : বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ ১০০০ গোলের কাছাকাছি থাকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর কাছে এখন প্রত্যেক গোলই মূল্যবান। গতকাল রাতে তাঁর সেই সুযোগ ছিল। কিন্তু একেবারে সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেছেন তিনি। তাতে করে আর্জেন্টিনার তারকা ফরোয়ার্ড লিওনেল মেসির সঙ্গে রোনালদোর ব্যবধান বেড়েছে ঠিকই। তবে একটা দিক থেকে এগিয়ে পর্তুগিজ ফরোয়ার্ডই।

সৌদি প্রো লিগে নিওনের বিপক্ষে গত রাতে আল নাসর তারকা রোনালদোর পেনাল্টি মিসের ঘটনা ঘটেছে প্রথমার্ধের শেষভাগে। কিন্তু পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড পোস্টের বাইরে মেরে দিয়েছেন শট। প্রতিযোগিতামূলক ক্যারিয়ারে এই নিয়ে পেনাল্টিতে ৩৭ শট মিস করেছেন রোনালদো। তাতে করে মেসির চেয়ে পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড আরও একটু পিছিয়ে গেলেন। পেনাল্টিতে ৩৫ শট মিস করেছেন আর্জেন্টাইন তারকা।

পেনাল্টি মিসে মেসিকে ছাড়ালেও পরিসংখ্যানগত একটা দিক থেকে রোনালদোই এগিয়ে থাকছেন।মেসি তাঁর ক্যারিয়ারে ১৫০ বার পেনাল্টি নিয়ে ১১৫ বার গোল করেছেন। স্পটকিকে আর্জেন্টিনার তারকা ফরোয়ার্ডের সফলতার হার ৭৬.৬৭ শতাংশ। রোনালদোর পেনাল্টি থেকে গোলে সফলতার হার ৮৩.২৬ শতাংশ। পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড ২২১ বার পেনাল্টি নিয়ে গোল করেছেন ১৮৪ বার।

রোনালদো তাঁর ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত ৯৮১ গোল করেছেন। গতকাল সংখ্যাটা ৯৮৩ পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারতেন। কিন্তু পেনাল্টি থেকে গোল মিসের পাশাপাশি আরও একটা গোলের সুযোগ হাতছাড়া করেছেন তিনি। ৪৮ মিনিটে সাদিও মানের হেড থেকে বল পান রোনালদো। তখন কেবল পা ছোঁয়ালেই হয়ে যেত। কিন্তু পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড ক্রসবারের ওপর দিয়ে বল মেরেছেন।

রোনালদো একের পর এক সুযোগ হাতছাড়া করলেও আল নাসর জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। নিওমের বিপক্ষে গোল করেন আল নাসর স্ট্রাইকার জোয়াও ফেলিক্স। ১-০ গোলের জয়ে এখন সৌদি প্রো লিগের পয়েন্ট তালিকায় তিনে রোনালদোর দল। ৯ ম্যাচে ৭ জয়, ১ ড্র ও ১ হারে ২২ পয়েন্ট এখন আল নাসরের। সবার ওপরে থাকা আল কাদসিয়ার পয়েন্ট ২৫। ২৪ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আল হিলাল। আল কাদসিয়া ১০ ম্যাচ খেললেও আল হিলাল খেলেছে ৯ ম্যাচ।

পর্তুগাল দলে ৩০ দিনের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন রোনালদো। ২৫৫ ইউরো জরিমানা করা হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা ৩৫ হাজার ৩৫০ টাকা। মূলত নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচে পুরো ৯০ মিনিট বসে থাকার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রোনালদোর সঙ্গে পর্তুগাল কোচ জর্জ জেসুসের বাকবিতণ্ডা শুরু। জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়েও চলে যান রোনালদো। নভেম্বরে তারকা ফরোয়ার্ডের ফেরার আশা করছে পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশন (পিএফএফ)। ১৪ নভেম্বর ডেনমার্কের বিপক্ষে নেশনস লিগে খেলবে পর্তুগাল।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।