• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
অসুস্থ ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনুকে দেখতে হাসপাতালে মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ রাজশাহীতে নারীসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ট্যাপেন্টাডল-গাঁজা উদ্ধার দুর্গাপূজার মণ্ডপে মণ্ডপে রাসিক প্রশাসক, শুভেচ্ছা বিনিময় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার অধিকার সমান: সমাজকল্যাণমন্ত্রী পেনাল্টি মিস, তবু গোলসংখ্যায় মেসির চেয়ে এগিয়ে রোনালদো মাগুরায় যুবদল নেতার লাশ উদ্ধার, গুলিতে হত্যার অভিযোগ বিজয়া দশমীতে সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন নারীরা মোদির বাসভবনের পাশে মসজিদ উচ্ছেদের নোটিশ রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় মোবাইল খুইয়েছেন ৯ নেতা-কর্মী তিন বিভাগ সফর শেষে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

রাজশাহীতে পৃথক অভিযানে ৭ জন গ্রেপ্তার, ট্যাপেন্টাডল-ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার

Reporter Name / ৪৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের রাজপাড়া, চন্দ্রিমা, বেলপুকুর, শাহমখদুম ও মতিহার থানা পুলিশের পৃথক পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ ট্যাপেন্টাডল, ইয়াবা ট্যাবলেট ও গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এসময় ৬ মাদক ব্যবসায়ী এবং ১ মাদকসেবীকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেইসাথে মাদক বিক্রির নগদ অর্থ জব্দ করা হয়।

 

আজ ১৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক সোয়া ১২টার দিকে রাজপাড়া থানা পুলিশ আইডি বাগানপাড়া এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মোল্লাপাড়া গ্রামের মো: নুরুজ্জামালের ছেলে মো: ফিরোজ আলী (২৬); কাশিয়াডাঙ্গা থানার হড়গ্রাম এলাকার মৃত সোহেলের ছেলে মো: সানি (১৯) এবং রাজপাড়া থানার তেরখাদিয়া উত্তর পাড়া গ্রামের মো: দুরুল হুদার ছেলে মো: রেজওয়ানুল বিশ্বাস সৈকত (২৭)-কে গ্রেপ্তার করে। অভিযানকালে লক্ষীপুর বাগানপাড়া গ্রামের মো: আরমান আলীর ছেলে মো: জুয়েল (৩৩) পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে পালিয়ে যায়।

এ সময় ফিরোজের হেফাজত থেকে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখা ৫২ পিস ট্যাপেন্টাডল এবং পলাতক আসামি জুয়েলের ফেলে যাওয়া ৭৮ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। সেইসাথে ফিরোজের হেফাজত থেকে মাদক বিক্রির নগদ ৯০০ টাকা জব্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত সানি ও সৈকত দীর্ঘদিন ধরে ফিরোজ ও জুয়েলের সঙ্গে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। উল্লেখ্য যে, গ্রেপ্তারকৃত আসামি ফিরোজের বিরুদ্ধে রাজপাড়া থানায় ১টি মাদক মামলা এবং সানির বিরুদ্ধে কাশিয়াডাঙ্গা থানায় ১টি মাদক মামলা রয়েছে। এছাড়াও পলাতক আসামি জুয়েলের বিরুদ্ধে রাজপাড়া থানায় ৩টি মাদক মামলা রয়েছে।

 

এছাড়াও, চন্দ্রিমা থানা পুলিশ গত ১২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে মুশরইল বাগান এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মৃত হারুন অর রশিদের ছেলে মো: রফিকুল ইসলাম নবীন (২৬)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ৫৭ পিস ইয়াবা ও ৫১ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উল্লেখ্য, গ্রেপ্তারকৃত নবীনের বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া থানায় ১টি মাদক, চন্দ্রিমা থানায় ১টি মাদক, ১টি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ও ১টি পেনাল কোড আইনে মামলা রয়েছে।

 

তাছাড়াও বেলপুকুর থানা পুলিশ একই তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে বেলপুকুর রেলগেট রেললাইন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ক্ষু্দ্র জামিরা গ্রামের মৃত বাবর আলীর ছেলে মো: মাসুদ (৩৯)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার হেফাজত হতে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ১০ পিস ট্যাপেন্টাডল ও ৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

 

অন্যদিকে শাহমখদুম থানা পুলিশ গত ১১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক পৌনে ১১টার দিকে বড়বনগ্রাম চকপাড়ার ফুলতলা বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে একই গ্রামের মো: করিম আলীর ছেলে মো: সেলিম আলী ওরফে চিংকু (৩৬)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার হেফাজত থেকে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখা ১১০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উল্লেখ্য, আসামি চিংকুর বিরুদ্ধে শাহমখদুম থানায় ২টি মাদক ও ২টি জুয়া প্রতিরোধ আইনে মামলা রয়েছে।

 

এদিকে মতিহার থানা পুলিশ গত ১২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ বেলা আনুমানিক ১২টার দিকে ধরমপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামের মো: সহিদুল ইসলামের ছেলে তিলক (২১)-এর বসতবাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে তিলক’কে মাদক সেবনরত অবস্থায় গ্রেপ্তার করে। পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসামির স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হলে চিকিৎসকের মতামতের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে মতিহার থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়।

 

আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক পৃথক মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা করা হয়েছে। এছাড়াও পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।