• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
অসুস্থ ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনুকে দেখতে হাসপাতালে মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ রাজশাহীতে নারীসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ট্যাপেন্টাডল-গাঁজা উদ্ধার দুর্গাপূজার মণ্ডপে মণ্ডপে রাসিক প্রশাসক, শুভেচ্ছা বিনিময় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার অধিকার সমান: সমাজকল্যাণমন্ত্রী পেনাল্টি মিস, তবু গোলসংখ্যায় মেসির চেয়ে এগিয়ে রোনালদো মাগুরায় যুবদল নেতার লাশ উদ্ধার, গুলিতে হত্যার অভিযোগ বিজয়া দশমীতে সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন নারীরা মোদির বাসভবনের পাশে মসজিদ উচ্ছেদের নোটিশ রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় মোবাইল খুইয়েছেন ৯ নেতা-কর্মী তিন বিভাগ সফর শেষে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

ভারতের শেফালির রানও করতে পারল না বাংলাদেশ

Reporter Name / ৪২ Time View
Update : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ লক্ষ্যটা ছিল বেশ বড়; ১৯৬ রানের। এমন লক্ষ্য তাড়া করতে যেমন ব্যাটিং করতে হতো, পুরো ইনিংসজুড়ে তার ছিটেফুটাও দেখাতে পারেনি বাংলাদেশ। উল্টো বাজে ব্যাটিংয়ে শুরুতেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় তারা। নিগার সুলতানা জ্যোতির দলকে সহজে হারিয়ে ফাইনালে পা রেখেছে ভারত।

এশিয়ান গেমসের নারী ক্রিকেটের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে বাংলাদেশকে ১১৪ রানে হারিয়ে ফাইনালে পা রেখেছে ভারত। এর আগে শেষ চারের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে শ্রীলঙ্কা। আগামী ২২ সেপ্টেম্বর শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে লঙ্কানরা।

করোগি স্পোর্টস পার্কে আগে ব্যাট করে ১৯৫ রান করেছিল ভারত। জবাবে বাংলাদেশ গুটিয়ে গেছে ৮১ রানে। ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের পর ভারতের বোলারদের দাপট দেখল বাংলাদেশ। সবমিলে ভুলে যাওয়ার মতো একটা ম্যাচই খেলল তারা।

এক শেফালি ভার্মার রানই করতে পারেনি বাংলাদেশ। ভারতকে বড় পুঁজি এনে দেওয়ার পথে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি হাঁকান এই ওপেনার। ১০০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। শেফালির চেয়ে ১৯ রান কম করে অলআউট হলো বাংলাদেশ।

এর আগে সবশেষ নারী এশিয়ান কাপের সেমিফাইনালে ভারতের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছিল বাংলাদেশ। আজকের ম্যাচে তাই প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ ছিল তাদের সামনে। কিন্তু আরও একটা সেমিফাইনাল হেরে ব্যর্থতার গল্প দীর্ঘ করল বাংলাদেশ।

ভারতের কাছে সেমিফাইনালেও হারলেও পদক জেতার সুযোগ থাকছে বাংলাদেশের সামনে। ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামবে তারা।

রান তাড়ায় ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে কোনো রান না করেই ফেরেন জুয়াইরিয়া ফেরদৌস। এরপর একে একে আউটের মিছিলে নাম লেখান সোবহানা মোস্তারি, জ্যোতি, দিলারা আক্তাররা। ৪৯ রানেই ইনিংসের অর্ধেক হারায় বাংলাদেশ। পরের সারির ব্যাটাররাও নাটকীয় কিছু করতে পারেননি। ফলাফল, বাংলাদেশের সঙ্গী বড় হার।

দিলারার ২৭ রানের ইনিংসটি বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ। সুলতানা খাতুন ১২ ও শারমিন আক্তারের ব্যাট থেকে আসে ১০ রান। এ ছাড়া আর কেউ দশকের ঘর স্পর্শ করতে পারেননি। মাত্র ৭ রানে ৩ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের ইনিংসে ধস নামাতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন দীপ্তি শর্মা। সমান উইকেট নিতে ২৫ রান খরচ করেন নন্দনী শর্মা। শ্রী চরনির শিকার দুটি।

ভারতের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪০ রানের ইনিংস খেলেন হারমানপ্রীত। অধিনায়কের ৩৩ বলের ইনিংসের চেয়েও বেশি আগ্রাসী ছিলেন স্মৃতি মান্ধানা। নাহিদা আক্তারের শিকার হওয়ার আগে ১৯ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় ৩৭ রান এনে দেন এই ওপেনার।

বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে মারুফা, সানজিদা আক্তার মেঘলা, রাবেয়া খাতুন ও নাহিদা আক্তার একটি করে উইকেট নেন। সবচেয়ে বেশি রান খরচ করেছেন নাহিদা। ৪ ওভারে ১২ ইকোনমিতে ৪৮ রান দেন তিনি। মারুফার খরচ ৪৩ রান।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।