• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন

৫০ বছর পর চাঁদের দিকে গেল মানুষ

Reporter Name / ৩৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ চার নভোচারী নিয়ে নাসার আর্টেমিস-২ নভোযান চাঁদের দিকে রওনা দিয়েছে। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি মহাকাশ কেন্দ্র থেকে আর্টেমিস-২ তার যাত্রা শুরু করে। গত ৫৩ বছরের মধ্যে এটি চাঁদের দিকে মানুষের প্রথম যাত্রা।

এই চার নভোচারী মোট ১০ দিনের মিশনে মহাকাশে অবস্থান করবেন। এ সময় তারা পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে চাঁদের দিকে যাবেন। এরপর চাঁদকে একবার প্রদক্ষিণ করে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবেন। এটি চন্দ্রাভিযান হলেও নভোচারীদের কেউ চাঁদে পা রাখবেন না।

এবারের চন্দ্রাভিযানে গেছেন নাসার রেইড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার এবং ক্রিস্টিনা কোচ। তাদের সঙ্গে আছেন কানাডা মহাকাশ সংস্থার জেরেমি হানসেন। তিনি প্রথম কানাডিয়ান হিসেবে চাঁদের দিকে গেছেন।

যাত্রা শুরুর পর এসএলএস রকেটটির উপরের অংশ নভোচারীদের ক্যাপসুল থেকে আলাদা হয়। এরমাধ্যমে ওরিয়ন ক্যাপসুলটির ৭০ মিনিটের টেস্ট ড্রাইভ শুরু হয়।

এদিকে গত ৫৩ বছরের মধ্যে এবারই প্রথমবারের মতো মানুষ চাঁদের কাছে যাচ্ছেন। এবারের এই মিশনে নভোচারীরা পৃথিবী থেকে এতটা দূরে যাবেন যে, এর আগে কোনো মানুষ এতটা দূরে যাননি। এরমাধ্যমে অ্যাপেলোর দূরত্বের রেকর্ড ভেঙে যাবে। আর্টেমিস-২ এর নভোচারীরা চাঁদের নিম্নকক্ষ ছাড়িয়ে আরও দূরে ভ্রমণ করবেন।

২০২৮ সালে আবারও চাঁদের মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা করছে নাসা। আজকে থেকে শুরু হওয়া আর্টেমিস-২ মিশনের মাধ্যমে মূলত ওই মিশনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

নাসার আর্টেমিস কর্মসূচি কী?

নাসার কয়েক দশকের একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হলো আর্টেমিস। ১৯৭২ সালের পর আবারও মানুষকে চাঁদে পাঠানো, সেখানে দীর্ঘমেয়াদী ঘাঁটি তৈরি এবং ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানুষের অভিযানের পথ প্রশস্ত করার উদ্দেশে এই প্রকল্প হাতে নিয়ে নাসা।

বর্তমানে পাঁচটি মিশনে এই কর্মসূচিকে বিভক্ত করেছে নাসা। সেগুলো হলো আর্টেমিস ১, ২, ৩, ৪ এবং ৫।

আর্টেমিস-১ ছিল একটি চালকহীন পরীক্ষামূলক ফ্লাইট; যা ২০২২ সালের ১৬ নভেম্বর উৎক্ষেপণ করা হয় এবং ২৫ দিন স্থায়ী হয়েছিল। এটি সফলভাবে ওরিয়ন মহাকাশযানকে পৃথিবীর কক্ষপথে স্থাপন এবং আর্টেমিস-২ এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করে।

সূত্র: সিএনএন


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।