• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৩২ অপরাহ্ন

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উৎসব ‘ভিইউ সাইফিউশন ২০২৬’ অনুষ্ঠিত

Reporter Name / ১০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে এবং বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স ক্লাবের আয়োজনে আজ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে ভিইউ সাইফিউশন ২০২৬(ঠট ঝপরঋঁংরড়হ ২০২৬): জাতীয় বিজ্ঞান, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি বিষয়ক আয়োজন। দিনব্যাপী এই আয়োজনে দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে ভিইউ সাইফিউশন ২০২৬ -এর উদ্বোধন করেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. খাদেমুল ইসলাম মোল্যা। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশল স্কুলের ডীন প্রফেসর ড. শামীম আহমদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি স্কুলের ডীন প্রফেসর ড. মো. বায়তুল মোকাদ্দেছুর রহমান, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স ক্লাবের কনভেনর এবং ফার্মেসি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোসা: হাজেরা খাতুন, সিএসই বিভাগের সহকারি অধ্যাপক মো: মিজানুর রহমান এবং বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স ক্লাবের উপদেষ্টা সদস্য এবং এনএফই বিভাগের প্রভাষক উম্মে সালমা নাহিদা।
উদ্বোধনের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় আইকিউ বেজড কুইজ কম্পিটিশন, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের বুদ্ধিমত্তা, যুক্তিবোধ ও বিশ্লেষণী দক্ষতার পরিচয় দেন।
অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্লাজা চত্বরে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় পোস্টার প্রেজেন্টেশন প্রতিযোগিতা। এতে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণা, ধারণা ও উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা পোস্টারের মাধ্যমে উপস্থাপন করেন।
একই সময়ে, সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের আমেরিকান কর্নারে অনুষ্ঠিত হয় প্রোজেক্ট শোকেসিং এবং সায়েন্টিফিক ফটোগ্রাফি কনটেস্ট। প্রোজেক্ট শোকেসিং পর্বে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা নিজেদের উদ্ভাবনী প্রকল্প ও প্রযুক্তিনির্ভর ধারণা প্রদর্শন করেন। অন্যদিকে, সায়েন্টিফিক ফটোগ্রাফি কনটেস্ট-এ অংশগ্রহণকারীরা স্থিরচিত্রের মাধ্যমে বিজ্ঞান, প্রকৃতি ও চারপাশের নানা বিষয়কে সৃজনশীলভাবে তুলে ধরেন।

দুপুর ১টা ৩০ মিনিট থেকে ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত মধ্যাহ্নভোজের বিরতি নির্ধারিত ছিল। এর আগে প্রতিটি প্রতিযোগিতার নির্ধারিত কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

ভিইউ সাইফিউশন ২০২৬ -এর মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা, গবেষণার আগ্রহ, সৃজনশীল চিন্তাভাবনা এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের চর্চাকে উৎসাহিত করা। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের নিজেদের মেধা ও উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা উপস্থাপনের সুযোগ করে দেওয়ার পাশাপাশি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।