• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন

রামেকের চাপ কমাতে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের আইসিইউ ব্যবহার শুরু

Reporter Name / ৩৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশু আইসিইউ এর সক্ষমতা বাড়াতে জেরিয়াট্রিক আইসিইউ থেকে ৬টি বেড শিশু আইসিইউতে যুক্ত করা হয়েছে। গতকাল (বুধবার, ১ এপ্রিল) বিকেলে হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কে বিশ্বাস সোশ্যালমিডিয়া গ্রুপে প্রেস রিলিজের মাধ্যমে এ কথা জানিয়েছেন।

বেড যুক্ত করার মাধ্যমে হাসপাতালে শিশু আইসিইউয়ের বেড সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮টিতে। যার মধ্যে ১২টি হামের শিশু এবং ৬টি অন্যান্য রোগে আক্রান্ত শিশুদের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।

এর পাশাপাশি এই প্রেস রিলিজে জানানো হয়, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ বেড এর চাপ কমাতে সাময়িক ভাবে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট এর আইসিইউতে ১০টি বেড ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এর অংশ হিসেবে বুধবার বিকেলে হামমুক্ত এক শিশুকে সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও রোগী স্থানান্তরের প্রক্রিয়া চলমান আছে বলে জানানো হয়। এছাড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রেরিত ভেন্টিলেটর আইসিইউতে ইনস্টল করে সেবা প্রদান শুরু হয়েছে বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।