• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে পানামা খালে জাহাজ চলাচল বেড়েছে

Reporter Name / ৪২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে পানামা খাল ব্যবহারকারী জাহাজের সংখ্যা বেড়েছে। সোমবার খাল কর্তৃপক্ষের এক কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।

২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এক মাসের এই সংঘাতে ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালী অবরোধ করে রেখেছে। স্বাভাবিক সময়ে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস রপ্তানির এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।

পানামা সিটি থেকে বার্তাসংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

খালটির উপ-প্রশাসক ইলিয়া এস্পিনো দে মারোত্তা টেলেমেট্রো চ্যানেলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘এ বছর আমরা প্রতিদিন প্রায় ৩৪টি জাহাজ চলাচলের আশা করেছিলাম। কিন্তু গত দুই সপ্তাহে তা বেড়ে ৩৮, ৩৯, এমনকি ৪০টিতে পৌঁছেছে।’

বিশ্বের মোট সামুদ্রিক বাণিজ্যের পাঁচ শতাংশ পানামা খাল দিয়ে সম্পন্ন হয়। এর প্রধান ব্যবহারকারী যুক্তরাষ্ট্র ও চীন। এই রুট মূলত যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলকে এশিয়ার চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের সঙ্গে সংযুক্ত করে।

এস্পিনো দে মারোত্তা বলেন, ‘পানামা খাল একটি নিরাপদ ও সংক্ষিপ্ত পথ। গ্যাসের দাম বিবেচনায়ও এটি খরচ কমায়।’

তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, প্রতিদিন ৪০টি জাহাজ চলাচল ঝুকিপূর্ণ, কারণ, এই পথে ধারণক্ষমতা সীমিত।

তিনি আরও জানান, এপ্রিল নাগাদ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বহনকারী জাহাজের সংখ্যা আবার বাড়তে পারে। ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর এ ধরনের জাহাজ চলাচল কমে গিয়েছিল।

তিনি বলেন, ‘আগে বছরে পাঁচ শতাধিক জাহাজ চলাচল করত। কিন্তু ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে তা কমে যায়। এখন আবার বাড়তে শুরু করেছে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।