• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন

রাজশাহীতে বাড়ছে হামে আক্রান্ত শিশু রোগীর সংখ্যা, একদিনে ভর্তি ৫০ জন

Reporter Name / ৪৮ Time View
Update : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে শিশু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। একদিনের ব্যবধানে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন আরো ৫০ জন। এর আগে গতকাল (রোববার, ২৯ মার্চ) ভর্তি ছিল ২৩০ জন। হাম শনাক্ত হওয়া একজন মারা গেছেন। তবে উপসর্গ নিয়ে গত তিন মাসে ২৯ জন মারা গেছেন যাদের পরীক্ষা করা সম্ভব হয়নি।

হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, গত জানুয়ারি থেকে আজ (সোমবার, ৩০ মার্চ) সকাল দশটা পর্যন্ত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন ২৮০ জন। এরইমধ্যে হাম পজিটিভ রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৩৫ জন। ইতোমধ্যে হাসপাতালের ওয়ার্ডে হামের নির্দিষ্ট কর্নার করা হয়েছে। পাশাপাশি চাপ সামলাতে না পেরে সাধারণ শিশু ওয়ার্ডেও চিকিৎসা নিচ্ছেন রোগীরা।

এদিকে আজ বেলা সাড়ে ১১টায় হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড পরিদর্শনে আসেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম। পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ভ্যাকসিন ক্রয় করতে না পারায় টিকা দিতে না পারায় হয়তোবা হাম ছড়িয়ে পড়েছে।

এসময় হাসপাতালের পরিচালক জানান হাম ও শিশুদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বিশেষায়িত ওয়ার্ডের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। স্বল্প জনবলের জন্যে কিছুটা হিমসিম খেতে হচ্ছে তাদের।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।