• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন

নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে পারছেন না পারভেজ হোসেন ইমন

Reporter Name / ৫৬ Time View
Update : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ পিএসএলে খেলতে এসে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে পারছেন না বাংলাদেশি ব্যাটার পারভেজ হোসেন ইমন। অভিষেক ম্যাচে মাত্র ১৪ রান করে ফিরেছিলেন এই ক্রিকেটার। ইনিংস মেরামতে চার নম্বরে নেমে ইমন প্রথম ম্যাচেই দলের বিপদ বাড়িয়েছেন। পাশাপাশি তার আউট হওয়ার ধরণটাও প্রশ্ন তোলার মতো। তাতে প্রশ্ন ওঠেছিল, দ্বিতীয় ম্যাচে সুযোগ পাবেন তো?

সব জল্পনা কাটিয়ে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচেও ইমনকে সুযোগ দিয়েছে লাহোর কালান্দার্স। আজও চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমেছিলেন টাইগার ওপেনার। পাওয়ার প্লেতে দ্রুতই দুই উইকেট হারিয়ে ফেলা লাহোরের হয়ে হিরো সাজার সুযোগ ছিল ইমনের সামনে। কিন্তু সুবর্ণ সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেননি তিনি। প্রথম ম্যাচে ১৪ করার পর দ্বিতীয় ম্যাচে করেছেন মাত্র ১২ রান। উভয় ম্যাচেই একটি করে ছক্কা মেরেছেন তিনি।

ইনিংস মেরামতের দায়িত্ব নিয়ে মাঠে নামা ইমনের শুরুটা হয়েছিল ধীরগতিতে। ১০ বলে ৬ রান করার পর সালমান আলী আঘাকে কাউ কর্ণার দিয়ে দুর্দান্ত ছক্কা হাঁকান তিনি। তবে পরের বলেই বিলাসী সুইপ শট খেলতে যান ইমন। নিচু হওয়া বলটিতে চোখ রাখতে পারেননি তিনি। হেড পজিশনের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলার সঙ্গে বলের নিয়ন্ত্রণও হাতছাড়া হয় তার। তাতে ব্যাটের ফাঁক গলিয়ে প্যাডে আঘাত হানে বল। লেগবিফোরের শিকার হয়ে ১২ রান করে ফিরেন ইমন।

বাংলাদেশি ব্যাটারের বিদায়ে অল্পতেই চার উইকেট হারায় লাহোর কালান্দার্স। ইমন থেকে দলের যেই চাওয়াটা ছিল, দুই ম্যাচে তার ছিটেফোঁটাও পূরণ করতে পারেননি তিনি। মিডলঅর্ডারে টানা ব্যর্থ হওয়ায় পরবর্তী ম্যাচে বাদ পড়তে পারেন এই বাংলাদেশি। এমনকি তার বিকল্প হিসেবে কেউ সুযোগের সদ্ব্যবহার করলে পিএসএলে ইমনের যাত্রা এখানেই শেষ হতে পারে। যদিও লাহোর কালান্দার্স ক্রিকেটারদের পর্যায়ক্রমে পরখ করে দেখেন। দেখার পালা, পারভেজ ইমনের ভাগ্য শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়?


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।