• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০২:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র ঈদের ছুটি শেষে বিকেল ৩টায় বসছে জাতীয় সংসদের অধিবেশন ঈদ উপলক্ষে ট্রেন যাত্রীদের সহায়তায় রাসিক প্রশাসকের ব্যতিক্রমী প্রশংসনীয় উদ্যোগ ‘বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচারে বাধা নেই’ দেশের সব পেট্রোল পাম্পে নিয়োগ করা হবে ট্যাগ অফিসার নেপালে নতুন সরকারের শপথের পরদিনই সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্রেপ্তার রানা প্লাজা থেকে বেঁচে ফেরা নাসিমার মৃত্যু পদ্মায় বাসডুবিতে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসছে সংসদীয় কমিটি ও সরকারি দল স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র

Reporter Name / ২৩ Time View
Update : রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ শনিবার (২৮ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে ‘নো কিংস’ র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বিক্ষোভে হাজারো মানুষ ইরান যুদ্ধ ও প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
 
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ যুদ্ধ শুরু হওয়ার এক মাস পর যুক্তরাষ্ট্রে এ ধরনের প্রথম ‘নো কিংস’ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হলো। বিভিন্ন শহরের রাস্তায় হাজার হাজার মানুষ একত্রিত হয়ে তাদের অবস্থান জানিয়েছে।
 
সেন্ট পলের মিনেসোটা ক্যাপিটল লন ও আশেপাশের রাস্তায় হাজার হাজার মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। অনেকে মার্কিন পতাকা উল্টো ধরেছিলেন, যা ঐতিহাসিকভাবে অসন্তোষ ও দুর্দশার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।
 
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর শনিবারের এই বিক্ষোভ ছিল দেশব্যাপী তৃতীয় ‘নো কিংস’ প্রতিবাদ। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, ৫০টি রাজ্যে ৩,৩০০টিরও বেশি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। নিউ ইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস ও ওয়াশিংটন ডিসি-সহ বড় শহরগুলোতে ব্যাপক জনসমাগমের প্রত্যাশা ছিল। একই সঙ্গে রোম, প্যারিস ও বার্লিনের মতো আন্তর্জাতিক শহরেও সমান্তরাল প্রতিবাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
 
মূল অনুষ্ঠানটি মিনেসোটার মিনিয়াপোলিস-সেন্ট পল এলাকায়, যাকে ‘টুইন সিটিজ’ বলা হয়, সেখানে অনুষ্ঠিত হয়। গত ডিসেম্বরে এই অঞ্চলে ট্রাম্পের ‘অপারেশন মেট্রো সার্জ’ অভিযান কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছিল।
 
আগের দুটি ‘নো কিংস’ মিছিল জুন ও অক্টোবর মাসে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে লক্ষ লক্ষ মানুষ অংশগ্রহণ করেছিলেন। অক্টোবরের বিক্ষোভের জবাবে ট্রাম্প একটি এআই-নির্মিত ভিডিও পোস্ট করেছিলেন, যেখানে তাকে বিক্ষোভকারীদের ওপর মল নিক্ষেপ করতে দেখা যায়।
 
এই প্রতিবাদগুলো নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি কংগ্রেসের উভয় কক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখার চেষ্টা করবে।
 
আয়োজকরা জানিয়েছেন, ৫০টি রাজ্যে ৩,১০০টিরও বেশি অনুষ্ঠান নিবন্ধিত হয়েছে, যা অক্টোবরের তুলনায় ৫০০টি বেশি। মার্কিন আয়োজকদের অনুমান, প্রথম দুটি র‍্যালিতে জুনে ৫০ লক্ষেরও বেশি এবং অক্টোবরে ৭০ লক্ষ মানুষ অংশ নিয়েছিল। শনিবারের র‍্যালিতে তারা ৯০ লক্ষ অংশগ্রহণকারীর প্রত্যাশা করেছিলেন, যদিও তা কতটা পূরণ হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি।

শনিবার (২৮ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে ‘নো কিংস’ র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বিক্ষোভে হাজারো মানুষ ইরান যুদ্ধ ও প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

 
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ যুদ্ধ শুরু হওয়ার এক মাস পর যুক্তরাষ্ট্রে এ ধরনের প্রথম ‘নো কিংস’ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হলো। বিভিন্ন শহরের রাস্তায় হাজার হাজার মানুষ একত্রিত হয়ে তাদের অবস্থান জানিয়েছে।
 
সেন্ট পলের মিনেসোটা ক্যাপিটল লন ও আশেপাশের রাস্তায় হাজার হাজার মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। অনেকে মার্কিন পতাকা উল্টো ধরেছিলেন, যা ঐতিহাসিকভাবে অসন্তোষ ও দুর্দশার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।
 
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর শনিবারের এই বিক্ষোভ ছিল দেশব্যাপী তৃতীয় ‘নো কিংস’ প্রতিবাদ। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, ৫০টি রাজ্যে ৩,৩০০টিরও বেশি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। নিউ ইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস ও ওয়াশিংটন ডিসি-সহ বড় শহরগুলোতে ব্যাপক জনসমাগমের প্রত্যাশা ছিল। একই সঙ্গে রোম, প্যারিস ও বার্লিনের মতো আন্তর্জাতিক শহরেও সমান্তরাল প্রতিবাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
 
মূল অনুষ্ঠানটি মিনেসোটার মিনিয়াপোলিস-সেন্ট পল এলাকায়, যাকে ‘টুইন সিটিজ’ বলা হয়, সেখানে অনুষ্ঠিত হয়। গত ডিসেম্বরে এই অঞ্চলে ট্রাম্পের ‘অপারেশন মেট্রো সার্জ’ অভিযান কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছিল।
 
আগের দুটি ‘নো কিংস’ মিছিল জুন ও অক্টোবর মাসে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে লক্ষ লক্ষ মানুষ অংশগ্রহণ করেছিলেন। অক্টোবরের বিক্ষোভের জবাবে ট্রাম্প একটি এআই-নির্মিত ভিডিও পোস্ট করেছিলেন, যেখানে তাকে বিক্ষোভকারীদের ওপর মল নিক্ষেপ করতে দেখা যায়।
 
এই প্রতিবাদগুলো নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি কংগ্রেসের উভয় কক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখার চেষ্টা করবে।
 
আয়োজকরা জানিয়েছেন, ৫০টি রাজ্যে ৩,১০০টিরও বেশি অনুষ্ঠান নিবন্ধিত হয়েছে, যা অক্টোবরের তুলনায় ৫০০টি বেশি। মার্কিন আয়োজকদের অনুমান, প্রথম দুটি র‍্যালিতে জুনে ৫০ লক্ষেরও বেশি এবং অক্টোবরে ৭০ লক্ষ মানুষ অংশ নিয়েছিল। শনিবারের র‍্যালিতে তারা ৯০ লক্ষ অংশগ্রহণকারীর প্রত্যাশা করেছিলেন, যদিও তা কতটা পূরণ হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।