• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ০৩:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ঈদ উপলক্ষে ট্রেন যাত্রীদের সহায়তায় রাসিক প্রশাসকের ব্যতিক্রমী প্রশংসনীয় উদ্যোগ ‘বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচারে বাধা নেই’ দেশের সব পেট্রোল পাম্পে নিয়োগ করা হবে ট্যাগ অফিসার নেপালে নতুন সরকারের শপথের পরদিনই সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্রেপ্তার রানা প্লাজা থেকে বেঁচে ফেরা নাসিমার মৃত্যু পদ্মায় বাসডুবিতে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসছে সংসদীয় কমিটি ও সরকারি দল স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন

ঈদ উপলক্ষে ট্রেন যাত্রীদের সহায়তায় রাসিক প্রশাসকের ব্যতিক্রমী প্রশংসনীয় উদ্যোগ

Reporter Name / ২৫ Time View
Update : শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক) এর প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটনের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো ট্রেন যাত্রী সহায়তা কার্যক্রম গ্রহণ করেছিল রাসিক। ঈদের আগে ও পরে মোট ৯ দিনব্যাপী যাত্রী সহায়তার ব্যতিক্রমী প্রশংসনীয় এই কার্যক্রম শেষ হলো ২৮ মার্চ।

জানা যায়, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গত ২০ মার্চ রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘরমুখো ট্রেন যাত্রীদের সহায়তা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন রাসিক প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন মহোদয়। যাত্রীদের ল্যাগেজ, আসবাবপত্র বহন কাজের সহায়তায় রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে ২০ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন ৩টি শিফটে ২৪ ঘন্টা সিটি কর্পোরেশনের ১২ জন করে ৩৬ জন শ্রমিক নিয়োজিত ছিল। মূলত রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনে আগত যাত্রীদের ল্যাগেজ, আসবাবপত্র বহন, যেকোন ধরণের হয়রানি প্রতিরোধ সহ যাত্রীসেবায় রেলকর্মীদের পাশাপাশি সিটি কর্পোরেশন কর্মীরা সার্বক্ষণিক যাত্রী সহায়তা সেবা প্রদান করেছে।

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে যাত্রী সহায়তা সেবা পেয়ে খুশি যাত্রীরা।

ঈদ শেষে ঢাকা কর্মস্থল ফেরতগামী যাত্রী মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, ঈদের ছুটি শেষে পরিবার নিয়ে ঢাকায় ফিরছি। পরিবার সদস্যদের অনেকগুলো ব্যাগ টানাটানি করতে হিমশিম খাচ্ছিলাম। সে সময় এগিয়ে আসেন সিটি কর্পোরেশনের কর্মীরা। ব্যাগ, লাগেজ ইত্যাদি তারা ট্রেনে তুলে দিয়েছে। অনেক বড় উপকার হলো। যাত্রীসেবার এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

আরেক যাত্রী বেসরকারি চাকুরীজীবী সুমি খাতুন বলেন, রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে বিনামূল্যে যাত্রী সহায়তা কার্যক্রম অনেক প্রশংসার দাবিদার। আশা করি এই উদ্যোগ আগামীতে চলমান থাকবে। রাজশাহী সিটি যে অন্যদের থেকে ব্যতিক্রম সেটি আবারো প্রমাণ হলো। আমি সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাই জানাই।

আরেক যাত্রী সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রথমবারের মতো রেলওয়ে স্টেশনে সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক যাত্রী সেবা পেয়ে অনেক ভালো লেগেছে। সিটি কর্পোরেশন কর্মীদের পারিশ্রমিক বাবদ টাকা দিতে চেয়েছিলাম, তারা নেয়নি। তারা জানিয়েছে, সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের নির্দেশে বিনামূল্যে এই যাত্রী সহায়তা সেবা প্রদান করা হচ্ছে। ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগ গ্রহণ করায় রাসিক প্রশাসককে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

এ ব্যাপারে রাসিক প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার জনগণের সরকার। আমরা প্রশাসক নয়, জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করছি। এবার ঈদে পরীক্ষামূলকভাবে এই ট্রেন যাত্রী সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। এটি রেলওয়ে স্টেশনে লাইসেন্সভুক্ত কুলি/শ্রমিকদের সাথে সাংর্ঘষিক হয় কিনা সেটা বিবেচনা এবং জনগণের চাহিদা ও আকাঙ্খার ভিত্তিতে পরবর্তীতে এই সেবার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।