• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
গোদাগাড়ীতে ফুটবল প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন পালপুর ধরমপুর জাগরণী ক্লাব রুয়েটে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর পালিত ইতিহাস গড়ে তাওহীদ হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরি বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন বিকেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির শোভাযাত্রা রাজশাহীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ৭ নভেম্বরের চেতনায় মাথা উঁচু করে বাঁচতে চায় বাংলাদেশ: ভূমিমন্ত্রী ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে রাজশাহীতে খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের আলোচনা সভা ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের মসজিদ-মাদরাসার উন্নয়নে মাসিক ও বছরব্যাপী কর্মসূচি নিয়েছেন বিপ্লব রহমান নাইম শাহ মখদুম (রহ.) মাদ্রাসা ও এতিমখানা পরিদর্শন করলেন রাসিক প্রশাসক

খেজুরের হিসাব নিয়ে হাসনাতকে সৌদি যুবরাজের ফোন!

Reporter Name / ৮৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ বছর ধরে চলা এক অলিখিত নিয়ম ভাঙলেন তরুণ সংসদ সদস্য Hasnat Abdullah। সৌদি আরব থেকে আসা খেজুর সাধারণ মানুষের হাতে পৌঁছাতে না পারার ‘রহস্য’ এবার ফেসবুক লাইভে প্রকাশ্যে দেখানো হলো। হাসনাত লাইভে প্রতিটি কার্টন খুলে খেজুরের সংখ্যা, ধরন এবং বিতরণের তালিকা প্রকাশ করলেন।

রমজান মাসে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে খেজুর এসে নামার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লাইভে তিনি জানান, মোট খেজুরের সংখ্যা ১০ কোটি ১২ লাখ ৫ হাজার ৪টি। প্রতিটি প্রকার—আজওয়া, মরিয়ম—এবং খেজুরে কোনো ত্রুটি, পোকা বা অতিরিক্ত শুকনো হওয়ার হিসাব পাই-চার্টে তুলে ধরা হয়েছে। এমন বিশদ তথ্য সৌদি যুবরাজ Mohammed bin Salman–কেও অবাক করেছে।

লাইভ চলাকালীন হাসনাত সরাসরি সৌদি যুবরাজের সঙ্গে ফোনালাপে যুক্ত হন। যুবরাজ মুগ্ধ হয়ে বলেন, বাংলাদেশের খেজুর বিতরণের এত বিস্তারিত হিসাব তার দেশের অ্যানুয়াল অডিটেও নেই। হাসনাত ব্যাখ্যা করেন, আগে খেজুর কিছু ভিআইপির হাতে গিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাত না। এবার পুরো প্রক্রিয়া স্বচ্ছ এবং হাতে-হাতে গণনা করা হয়েছে, তাই কোনো খেজুরও ‘নিখোঁজ’ হয়নি।

হাসনাত জানান, এই স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ‘অপারেশন খেজুর’ নামে একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি কার্টন হাতে খোলা হয়েছে, স্বেচ্ছাসেবীরা গ্লাভস পরে একে একে গুনেছেন। ৭১২টি বিচিহীন খেজুরও আলাদাভাবে তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।

সৌদি যুবরাজ ভীষণ মুগ্ধ হয়ে বলেন, তাদের দেশে এমন বিশদ হিসাবও নেই। হাসনাত জানান, বাংলাদেশে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সরকারি তহবিলের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

এছাড়াও, ঈদের ত্রাণ সামগ্রী, লুঙ্গি ও চালের বস্তার হিসাবও একইভাবে বিস্তারিতভাবে নথিভুক্ত করা হবে। যুবরাজ হাসি দিয়ে বললেন, ‘পরের বছর হয়তো উটও পাঠাবো—তুমি কি তার লোমও গণনা করতে পারবে?’ হাসনাত উত্তর দিলেন, ‘ইনশাআল্লাহ, প্রতিটি পদক্ষেপ জনগণের সামনে স্বচ্ছ হবে।’

শেষে সৌদি যুবরাজ নির্দেশ দিলেন, আগামী বছর বাংলাদেশে খেজুরের পরিমাণ দ্বিগুণ করা হোক, কারণ তরুণ নেতৃত্বের এই উদ্যোগ দেশের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে। হাসনাত তার স্বেচ্ছাসেবীদের নির্দেশ দেন, এখন চালের বস্তার গণনা শুরু করতে। নতুন এক স্বচ্ছতার যজ্ঞ শুরু হয়ে গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।