• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৭:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি নিরাপত্তাপ্রধান আলী লারিজানির মৃত্যু নিশ্চিত করলো ইরান: রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজিকে আইনি নোটিশ রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানা এলাকা হতে ২১টি ককটেল ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৫। টানা ৭ দিনের ছুটি শুরু আজ বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ভয়াবহ ড্রোন ও রকেট হামলা

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস বাতিল

Reporter Name / ২৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ সরকার নির্ধারিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালনের বিষয়ে নতুন পরিপত্র জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। বুধবার (১১ মার্চ) জারি করা এই পরিপত্রের মাধ্যমে ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবরের আগের পরিপত্রটি বাতিল করা হয়েছে।

পরিপত্র অনুযায়ী, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে বাতিল করা কয়েকটি দিবসের সিদ্ধান্ত বর্তমান সরকারও বহাল রেখেছে। এর মধ্যে রয়েছে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ, ১৭ মার্চ Sheikh Mujibur Rahman–এর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস, ৫ আগস্ট Sheikh Kamal–এর জন্মবার্ষিকী, ৮ আগস্ট Fazilatunnesa Mujib–এর জন্মবার্ষিকী, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস, ১৮ অক্টোবর Sheikh Russell দিবস, ৪ নভেম্বর জাতীয় সংবিধান দিবস এবং ১২ ডিসেম্বর স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস।

নতুন পরিপত্রে আগের মতোই দিবসগুলোকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। ক-শ্রেণিতে থাকা জাতীয় পর্যায়ের ১৭টি দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন বা পালন করা হবে। এ তালিকায় ৫ আগস্টকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে পালনের কথা বলা হয়েছে। এছাড়া ২০২৪ সালের গণআন্দোলনের সময় রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত ছাত্র Abu Sayeed–এর স্মরণে ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালন করা হবে। এই দুটি সিদ্ধান্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় নেওয়া হয়েছিল, যা বর্তমান সরকারও বহাল রেখেছে।

খ-শ্রেণিতে রয়েছে ৩৭টি দিবস। এসব দিবস ঐতিহ্যগতভাবে পালন করা হয় অথবা পরিবেশ সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হিসেবে বিবেচিত। এ ধরনের অনুষ্ঠানে মন্ত্রীরা সম্পৃক্ত থাকবেন এবং গুরুত্ব বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে। এসব কর্মসূচির জন্য সরকারি উৎস থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

গ-শ্রেণিতে থাকা ৩৫টি দিবস সীমিত পরিসরে পালন করা হবে। এসব অনুষ্ঠানে মন্ত্রীদের উপস্থিতি প্রয়োজন অনুযায়ী বিবেচনা করা হবে এবং উন্নয়ন খাত থেকে এ জন্য কোনো বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হবে না।

পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ অনেক সময় এমন কিছু দিবস পালন করে যেগুলো পুনরাবৃত্তিমূলক বা বর্তমান প্রেক্ষাপটে খুব বেশি গুরুত্ব বহন করে না। সময় ও সম্পদ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকারি সংস্থাগুলোকে এ ধরনের দিবস পালনে সম্পৃক্ততা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা সপ্তাহ, প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ, বিজ্ঞান সপ্তাহ, বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ (১–৭ আগস্ট), বিশ্ব শিশু সপ্তাহ (২৯ সেপ্টেম্বর–৫ অক্টোবর), জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ, সশস্ত্র বাহিনী দিবস (২১ নভেম্বর), পুলিশ সপ্তাহ, বিজিবি সপ্তাহ, আনসার সপ্তাহ, মৎস্য পক্ষ, বৃক্ষরোপণ অভিযান ও জাতীয় ক্রীড়া সপ্তাহ পালনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা নিয়ে কর্মসূচি নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে।

জাতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠান ছাড়া অন্যান্য দিবস পালনের ক্ষেত্রে বড় ধরনের সাজসজ্জা বা বিচিত্রানুষ্ঠান পরিহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে বেতার ও টেলিভিশনে আলোচনা অনুষ্ঠান এবং সীমিত পরিসরে সেমিনার বা সিম্পোজিয়াম আয়োজন করা যাবে। কর্মদিবসে সমাবেশ বা শোভাযাত্রা না করার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

কোনো সপ্তাহ পালনের কর্মসূচি সাধারণত তিন দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে এবং সরকারি কাজকর্মে যাতে ব্যাঘাত না ঘটে সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। আলোচনা বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছুটির দিনে অথবা অফিস সময়ের পরে আয়োজনের চেষ্টা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া কোনো দিবস উপলক্ষে জেলা বা রাজধানীর বাইরে থেকে কর্মকর্তাদের ঢাকায় আনা যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলার কথা বলা হয়েছে। ব্যয় সাশ্রয়ের স্বার্থে একই ধরনের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস একই তারিখে একত্রে পালনের বিষয়েও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।