• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি নিরাপত্তাপ্রধান আলী লারিজানির মৃত্যু নিশ্চিত করলো ইরান: রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজিকে আইনি নোটিশ রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানা এলাকা হতে ২১টি ককটেল ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৫। টানা ৭ দিনের ছুটি শুরু আজ বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ভয়াবহ ড্রোন ও রকেট হামলা

মিশরের প্রাচীন ঐতিহ্য, ভাঙে কামানের শব্দে রোজা

Reporter Name / ১৯ Time View
Update : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ রমজানের সময় মিসরে ইফতারের মুহূর্তটি জানানোর জন্য অনন্য প্রথা অনুসরণ করা হয়—কামানের বিস্ফোরণ। স্থানীয়রা এটিকে শুধুমাত্র সময় জানানোর মাধ্যম হিসেবে নয়, বরং রমজানের সাংস্কৃতিক প্রতীক ও ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে মানেন। এই প্রথা ‘মিদফা আল-ইফতার’ বা ‘রমজান ক্যানন’ নামে পরিচিত।
 
ঐতিহাসিক সূত্রে জানা যায়, এই প্রথার শুরু হতে পারে ১৪৫৫ সালে। তখন মমলুক সুলতান খুশ কাদামকে জার্মান তৈরি একটি কামান উপহার হিসেবে দেওয়া হয়। রমজানের প্রথম দিনে সূর্যাস্তের সময় তিনি কামান পরীক্ষা করলে বিস্ফোরণের শব্দ শুনে স্থানীয়রা মনে করেন, রোজা ভাঙার সময় হয়েছে। পরবর্তীতে সুলতান নিয়মিত সূর্যাস্তে কামান ছোড়ার নির্দেশ দেন।
 
১৮০৫–১৮৪৮ সালের মধ্যে মিসরের শাসক মুহাম্মদ আলি পাশাও কামান ছোড়ার প্রথা চালু করেন। তিনি সেনা প্রস্তুতির জন্য কামান পরীক্ষা করতেন এবং দুর্ঘটনাক্রমে রমজানের প্রথম দিনে বিস্ফোরণ ঘটায়। এরপর এটি কায়রো থেকে জেরুজালেম, দামাস্কাস ও বাগদাদে ছড়িয়ে পড়ে। ১৯০৭ সালে কুয়েতে পৌঁছায় এবং পরে পুরো খাড়ি অঞ্চলে প্রচলিত হয়।
 
ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য ১৯৯২ সালের পর কয়েক দশক বন্ধ থাকার পর এবার আবারও কায়রোর ঐতিহাসিক দুর্গ সালাহ আল-দিন সিটাডেল থেকে কামান ছোড়া হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি থাকা সত্ত্বেও মিসরীয়রা রমজানের প্রথম দিনে ঐতিহ্য অনুযায়ী রোজা ভাঙেন।
 
এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশে—সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার ও জর্ডান—ও এই প্রথা কিছু রূপে অনুসরণ করা হয়। মিসরীয়রা এটিকে শুধু সময় জানানোর মাধ্যম মনে করেন না, বরং রমজানের আবেগ, ইতিহাস এবং সাংস্কৃতিক পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে গ্রহণ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।