• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
গোদাগাড়ীতে ফুটবল প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন পালপুর ধরমপুর জাগরণী ক্লাব রুয়েটে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর পালিত ইতিহাস গড়ে তাওহীদ হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরি বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন বিকেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির শোভাযাত্রা রাজশাহীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ৭ নভেম্বরের চেতনায় মাথা উঁচু করে বাঁচতে চায় বাংলাদেশ: ভূমিমন্ত্রী ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে রাজশাহীতে খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের আলোচনা সভা ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের মসজিদ-মাদরাসার উন্নয়নে মাসিক ও বছরব্যাপী কর্মসূচি নিয়েছেন বিপ্লব রহমান নাইম শাহ মখদুম (রহ.) মাদ্রাসা ও এতিমখানা পরিদর্শন করলেন রাসিক প্রশাসক

রাজশাহীর মোহনপুরে জামায়াত কর্মীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ বিবৃতি

Reporter Name / ৫৭ Time View
Update : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী জেলার মোহনপুর উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এক কর্মীকে নৃশংস ও বর্বরোচিতভাবে হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন রাজশাহী মহানগরীর জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ।

ঈদের নামাজ পড়ানোর ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে মোহনপুর উপজেলার সাঁকোয়া এলাকায় শনিবার (৭ মার্চ) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী মো. আলাউদ্দিন (৫৫)-এর ওপর হামলা চালানো হয়। বিএনপির স্থানীয় নেতা মোঃ ওমর ও রাইসুলের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী তাকে নৃশংসভাবে আক্রমণ করে এবং পায়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে।

এই মর্মান্তিক ঘটনার পর রাজশাহী মহানগরী জামায়াতের আমীর ড. মাওলানা কেরামত আলী এমপি ও সেক্রেটারি ইমাজ উদ্দিন মন্ডল এক যৌথ বিবৃতিতে ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। নেতৃবৃন্দ বলেন, এ ঘটনা অত্যন্ত নৃশংস, অমানবিক ও কাপুরুষোচিত। একটি শান্তিপূর্ণ ধর্মীয় বিষয়কে কেন্দ্র করে এ ধরনের বর্বর হামলা সভ্য সমাজে কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, মোহনপুর উপজেলার সংশ্লিষ্ট এলাকায় নির্বাচনের পর থেকেই বিএনপির নেতাকর্মীরা জামায়াতের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের, যারা জামায়াত মনোনীত প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন, বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিল। সেই ধারাবাহিকতারই অংশ হিসেবে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।এটা একটি ঠান্ডা মাথার পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।

নেতৃবৃন্দ বলেন, “সবার আগে বাংলাদেশ” স্লোগান দেওয়ার পরও বিএনপি বাস্তবে খুন ও সহিংসতার রাজনীতি শুরু করেছে—এই ঘটনা তারই প্রমাণ। রাজশাহীর রাজনৈতিক অঙ্গন ঐতিহ্যগতভাবে শান্তিপূর্ণ হলেও কিছু দুষ্কৃতিকারী এই শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচন-পরবর্তী সময় থেকে বিভিন্ন স্থানে উত্তেজনা সৃষ্টি করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে, যার ফলশ্রুতিতে এ ধরনের দুঃখজনক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।

নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত মোঃ ওমর ও রাইসুলসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে গ্রেফতার করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।

একই সঙ্গে তারা এলাকাবাসীকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান এবং দ্রুত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।