• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
গোদাগাড়ীতে ফুটবল প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন পালপুর ধরমপুর জাগরণী ক্লাব রুয়েটে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর পালিত ইতিহাস গড়ে তাওহীদ হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরি বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন বিকেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির শোভাযাত্রা রাজশাহীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ৭ নভেম্বরের চেতনায় মাথা উঁচু করে বাঁচতে চায় বাংলাদেশ: ভূমিমন্ত্রী ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে রাজশাহীতে খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের আলোচনা সভা ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের মসজিদ-মাদরাসার উন্নয়নে মাসিক ও বছরব্যাপী কর্মসূচি নিয়েছেন বিপ্লব রহমান নাইম শাহ মখদুম (রহ.) মাদ্রাসা ও এতিমখানা পরিদর্শন করলেন রাসিক প্রশাসক

নারীর উন্নয়ন ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়: এমপি মিলন

Reporter Name / ৩৯ Time View
Update : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) সংসদ সদস্য এ্যাড. শফিকুল হক মিলন বলেছেন, “নারীর উন্নয়ন ছাড়া দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। নারীদের দক্ষতা ও অংশগ্রহণ ছাড়া দেশের কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জন করা যায় না।”রোববার (৮ মার্চ) সকালে পবা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, প্রতিটি আন্তর্জাতিক দিবসের পেছনে সংগ্রামের ইতিহাস লুকিয়ে রয়েছে। তাই পরিবার থেকে শুরু করে সমাজকে নারীদের উন্নয়নের পথে উৎসাহিত করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপির রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কারের ৩১ দফায় নারীদের উন্নয়নের কথা বলা হয়েছে। অর্ধেক জনসংখ্যা নারী; তাই তাদের অংশগ্রহণ ছাড়া দেশের উন্নয়ন অসম্ভব।
বিএনপির অতীতের পদক্ষেপগুলো স্মরণ করে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার শাসনামলে বিএনপি সরকার নারীর আর্থ-সামাজিক ক্ষমতায়নের জন্য দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা নিশ্চিত করেছিল এবং ১৯৯৪ সালে ‘মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ গঠন করে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছিল। মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা বৃদ্ধি এবং কর্মক্ষেত্রে নারীদের সুযোগ বৃদ্ধিতেও তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। এছাড়াও বর্তমানে বিএনপি নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, বিশেষ মহিলা বাস সার্ভিস এবং স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষার পরিকল্পনা নিয়েছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভারপ্রাপ্ত মোহাম্মদ সবুজ ইসলাম। অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকৌশলী মকবুল হোসেন, এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুমা মোস্তারী, শাহমখদুম থানার অফিসার ইনচার্জ ফারুক হোসেন, পবা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলী হোসেন, সদস্য সচিব আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ প্রমুখ।
এর আগে, আলোচনা সভার আগে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে “আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালী অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফাতেমা খাতুন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।