• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি নিরাপত্তাপ্রধান আলী লারিজানির মৃত্যু নিশ্চিত করলো ইরান: রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজিকে আইনি নোটিশ রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানা এলাকা হতে ২১টি ককটেল ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৫। টানা ৭ দিনের ছুটি শুরু আজ বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ভয়াবহ ড্রোন ও রকেট হামলা

হাসনাতের আলটিমেটামের ৭ দিন পরও ফুটপাত ছাড়েননি ব্যবসায়ীরা

Reporter Name / ২৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ কুমিল্লার দেবিদ্বার পৌর সদরের ফুটপাত দখলমুক্ত করতে হকারদের সরে যেতে ৩ দিনের আলটিমেটাম দিয়েছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। তবে আলটিমেটামের সময় পার হয়েছে ১ সপ্তাহ হলো, এখনো ফুটপাত ছাড়েননি ক্ষুদ্র ও ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীরা।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুর পর্যন্ত আগের মতোই ফুটপাতের ওপর বেচাকেনা করতে দেখা গেছে তাদের।

এর আগে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি এসব ব্যবসায়ীদের ফুটপাত ছাড়তে ৩ দিনের আলটিমেটাম দেন হাসনাত আবদুল্লাহ। এসময় এসব ব্যবসায়ীদের জন্য দেবিদ্বার পুরান বাজারে পৌরসভার কিচেন মার্কেটে ৬ মাস বিনা ভাড়ায় ব্যবসয়াীদের ব্যবসা করার আশ্বাস দেওয়া হয়। অপরদিকে জেলা পরিষদ মার্কেটের আন্ডারগ্রাউন্ডেও স্থান নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। দুইটি স্থানের একটিতেও যাননি ক্ষুদ্র এসব ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ী। যদিও হাসনাতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল আলটিমেটামের নির্দিষ্ট সময়ে ফুটপাত ত্যাগ না করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা। তবে দৃশ্যমান সেসব কিছুই দেখা যায়নি।

ফুটপাত দখল করা ক্ষুদ্র এসব ব্যবসায়ীরা জানান, নির্ধারিত স্থান দুটোতে কাস্টমার ভিড়বে না। যদি কাঁচা বাজারসহ মাছ-মাংসের বাজারও সেদিকে স্থানান্তর করা যায় তাহলে তারাও ফুটপাত ত্যাগ করবেন। তাহলে ক্রেতাদেরও আগ্রহ বাড়বে সেদিকে।

দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাকিবুল ইসলাম বলেন, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের দখলের ফলে ফুটপাতে পথচারীদের ভোগান্তি এবং যানজট সৃষ্টি হয়। তাই ব্যবসায়ীদের ফুটপাত থেকে সরে যেতে বলেছিলেন মাননীয় সংসদ সদস্য। ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি সুন্দর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।