• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ভোটকেন্দ্রে ফোন ব্যবহারের সুযোগ রেখেই ইসির প্রজ্ঞাপন জারি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: অবশেষে মাঠে গড়াচ্ছে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঝালকাঠি-১ আসনে জামায়াতের নির্বাচনী অফিসে আগুন ভোটের ছুটিতে বাড়ি ফেরার ঢল বাস সংকট, বাড়তি ভাড়া আর যানজটে নাকাল ঘরমুখো মানুষ সন্ধ্যার মধ্যে সিদ্ধান্ত বাতিল না করলে ইসি ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি নাহিদের ভোটকেন্দ্রে ফোন নেয়ার প্রজ্ঞাপন বাতিল না হলে আগামীকাল ইসি ঘেরাও: জামায়াত আমির কেন্দ্রে মোবাইল নিষিদ্ধে ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং-জালিয়াতির আশঙ্কা হাসনাতের আজ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমান জামায়াত আমিরের প্রার্থিতা বাতিলের দাবিতে ইসিতে ১১ নারী সংগঠন ক্ষমতায় গেলে নাহিদকে মন্ত্রী করা হবে: জামায়াত আমির

ভোটের ছুটিতে বাড়ি ফেরার ঢল বাস সংকট, বাড়তি ভাড়া আর যানজটে নাকাল ঘরমুখো মানুষ

Reporter Name / ২৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে আজ শুরু হওয়া শিল্পাঞ্চলের ছুটিকে কেন্দ্র রাজধানী ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরার মানুষের ঢল নেমেছে। এতে মহাসড়কসহ আশপাশের সড়কগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। বাস সংকটের সুযোগে কয়েকগুণ বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে পরিবহন শ্রমিকদের বিরুদ্ধে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থেকে এবং অতিরিক্ত ভাড়া গুনে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ঘরমুখো যাত্রীরা।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে মহাসড়ক ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তার পাশে বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে শত-শত মানুষজন দাঁড়িয়ে আছে। আব্দুল্লাহপুর থেকে গাজীপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত মহাসড়কে ধীরগতির যান চলাচল দেখা গেছে। কলেজগেট ও গাজীপুরা এলাকায় যানজট আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। আবার আন্তঃজেলা ও অন্তঃজেলার বাসগুলোও বাড়তি আয়ের আশায় স্বাভাবিক রুট ছেড়ে একাধিক ট্রিপ মারছে বলে অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা। এতে সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

যাত্রীরা জানান, ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ যেতে যেখানে সাধারণত বাসভাড়া ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, সেখানে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। বাস না পেয়ে অনেক যাত্রী বাধ্য হয়ে ট্রাকেও উঠছেন। ট্রাকে জনপ্রতি নেওয়া হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা।

হোসেন নামের ময়মনসিংহগামী এক যাত্রী বলেন, ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ যেতে সাধারণত ২৫০ টাকা ভাড়া লাগে। আজ সকালে বাসে উঠতে গিয়ে ৬০০ টাকা চাইল। বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে। এত ভোগান্তি আগের ঈদেও দেখিনি।

এক গার্মেন্টকর্মী বলেন, ভোটের জন্য ছুটি দিয়েছে, কিন্তু বাসই তো পাচ্ছি না। সকাল থেকে দাঁড়িয়ে আছি। এখন মনে হচ্ছে ট্রাকে উঠতে হবে। সেখানেও ৪০০ টাকা নিচ্ছে। বাস কম, যাত্রী বেশি। এই সুযোগে সবাই ভাড়া বাড়াচ্ছে।

অন্যদিকে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে সরকার সাধারণ ও বিশেষ ছুটি ঘোষণা করেছে। সরকার ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। নির্বাচন দিবস ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে, যা আগেই ঘোষিত ছিল।

এছাড়া শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ছুটির প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি বুধ ও বৃহস্পতিবার সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নির্বাচনকালীন নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।