• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির

Reporter Name / ১৫ Time View
Update : বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও ১১-দলীয় জোটের প্রধান ডা. শফিকুর রহমান। আজ (বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি) আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে কুড়িগ্রামে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

জামায়াত আমির বলেন, ‘আমাদের দেশের ২৮ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। আল্লাহ আমাদের সুযোগ দিলে আপনাদের ভালোবাসায় আমরা কথা দিচ্ছি সর্বশক্তি নিয়ত করে ওদের মুখ দিয়ে পেটের ভেতর হাত ঢুকিয়ে এগুলো বের করে আনবো ইনশাল্লাহ। পেট পর্যন্ত যেতে হবে না। ওরা জায়গায় জায়গায় পেট বানিয়ে রেখেছে। ওই পেটগুলো চিহ্নিত করে ফেরত আনা হবে।’

নির্বাচনি প্রতিশ্রুতিতে জামায়াত আমির বলেন, ‘উত্তরবঙ্গ থেকেই উন্নয়নের বিসমিল্লাহ হবে। ক্ষমতায় গেলে তিস্তাকে জীবন দিব, তিস্তা মরুভূমি থাকবে না। অর্থনীতির কেন্দ্র বিন্দু হবে। হাইড্রোপাওয়ার হবে, গোটা উত্তরবঙ্গে পানি সরবরাহ হবে।’

তিনি বলেন, ‘জামায়াত বসন্তের কোকিলের মতো বিপদের সময় দেশ ছেড়ে চলে যয়নি। সুখে দুঃখে মানুষের পাশে ছিল। দেশের মাটি কামড়ে পড়ে থাকবো, কাউকে ছেড়ে যাব না।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশ থেকে চলে যায় কেন? যায় নিজেদের তৈরি করা ফ্যাসিবাদের যন্ত্রণা যাতে ভোগ করতে না হয়। মনে করে এ দেশ নিরাপদ নয়। মনে করে এ দেশ উন্নত নয়। তো উন্নত হতে বাধা দিয়েছিলো কে তোদের? তোরা তো পালাক্রমে দেশ শাসন করলি। তো আমার দেশটাকে দেশ হিসেবে গড়লি না কেন? এ দেশের মানুষ তোমাদেরকে দেখেছে ভাই। অনেক দেখেছে এবার একটু বিশ্রামে যাও। এবার একটু আমাদের সুযোগ দাও। আমরা কথা দিচ্ছি আমরা বসন্তের কোকিল নয়। আমরা ইহজগতের বন্ধু। আর পরজগতেও আল্লাহর কাছে বলি যে আল্লাহ সেইখানেও বন্ধু বানায়া রাখি।’

ধর্মের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে সব ধর্ম বর্ণের মানুষ। আমরা এখন থেকে কোনো বৈষম্য বরদাস্ত করবো না। এটা মানুষের যোগ্যতা আছে আর দেশ প্রেম আছে এনাফ তার হতে উপযুক্ত কাজ চলে যাবে। আমরা এ দেশে মাইনরিটি মেজরিটি শুনতে চাই না।’

সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী যারা আছেন। তাদের অনেককে যে বেতন দেয়া হয় চলার জন্য তা যথেষ্ট না। অর্থাৎ রাষ্ট্রই বাধ্য করছে তাদের দুনীতি করার জন্য। যে রাষ্ট্র তার সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের প্রতি সম্মান দেখাতে পারে না। সেই রাষ্ট্র সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী অপরাধ করলে বিচারেরও অধিকার রাখে না।’

নারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘মায়েদের আমরা শ্রদ্ধার আসনে বসাতে চাই। তারা শিক্ষা নেবে দেশ গড়ায় অংশ নিবে। পেশাগত দায়িত্ব পালন করবে। তারা কর্মক্ষেত্রে থাকবে নিরাপদ ও কাজ করবে মর্যাদার সঙ্গে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।