• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি ২২ বছর পর রাজশাহীতে যাচ্ছেন তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা নির্বাচনি প্রচারণায় আচরণবিধিতে পরিবর্তন আনছে নির্বাচন কমিশন

ভারতেই দুটি ভিন্ন ভেন্যুতে বাংলাদেশের ম্যাচ সরানোর কথা ভাবছে আইসিসি

Reporter Name / ৩৮ Time View
Update : সোমবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভেন্যু নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। এই ইস্যুতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড তাদের অনড় অবস্থানে।

টুর্নামেন্ট শুরু হতে তিন সপ্তাহেরও কম সময় বাকি। বাংলাদেশ তাদের নির্ধারিত ম্যাচগুলো খেলতে ভারত যাবে কি না, তা নিয়ে কোনো সমাধান হয়নি। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তজনা এবং খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার কথা উল্লেখ করে বিসিবি তাদের সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার জন্য আইসিসির কাছে একাধিকবার আনুষ্ঠানিক আবেদন করেছে।

‘ক্রিকবাজ’-এর তথ্য অনুযায়ী, আইসিসি বিকল্প ভেন্যু খুঁজছে ঠিকই, কিন্তু বাংলাদেশের চাওয়া অনুযায়ী সেগুলো শ্রীলঙ্কায় হওয়ার সম্ভাবনা কম। আইসিসি এবং বিসিসিআই তামিলনাড়ু ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন  এবং কেরালা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। বাংলাদেশের ম্যাচগুলো চেন্নাই এবং থিরুভানান্থাপুরামে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দুটি অ্যাসোসিয়েশনই ম্যাচগুলো আয়োজনের ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।

চেন্নাইয়ের চিপক স্টেডিয়ামে আটটি পিচ থাকায় তারা বাড়তি ম্যাচ আয়োজন করতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে। সেখানে ইতোমধ্যেই ভারত-অস্ট্রেলিয়া সম্ভাব্য ‘সুপার এইট’ ম্যাচসহ সাতটি খেলা নির্ধারিত আছে।

৭ ফেব্রুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ৯ ফেব্রুয়ারি ইতালি ও ১৪ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কলকাতায় বাংলাদেশের ম্যাচ খেলার কথা। মুম্বাইয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি তাদের শেষ ম্যাচ হওয়ার কথা নেপালের বিপক্ষে।

আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্সকে মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পর বিসিবি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ভেন্যু পরিবর্তনের জন্য আইসিসিকে দুইবার চিঠি দেয়। আইসিসি আজ (সোমবার) এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দিতে পারে। তবে ৭ ফেব্রুয়ারি টুর্নামেন্ট শুরুর এত অল্প সময় আগে লজিস্টিক সমস্যার কারণে ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।