• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি ২২ বছর পর রাজশাহীতে যাচ্ছেন তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা নির্বাচনি প্রচারণায় আচরণবিধিতে পরিবর্তন আনছে নির্বাচন কমিশন

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন ২১ ডিসেম্বর

Reporter Name / ৭৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন আগামী ২১ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ মহাসম্মেলনে প্রায় দুই হাজার গ্রাজুয়েট অংশ নিচ্ছেন। সমাবর্তনে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিশিষ্ট প্রকৌশলবিজ্ঞানী, কানাডার ম্যানিটোবা ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ড. একরাম হোসেন।

প্রফেসর ড. একরাম হোসেন ২০১০ সাল থেকে ম্যানিটোবা ইউনিভার্সিটির ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে প্রফেসর হিসেবে কর্মরত। প্রকৌশলবিজ্ঞানে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বিশ্বের বহু মর্যাদাপূর্ণ সংস্থার ফেলো নির্বাচিত হয়েছেন। সুইডেন, সিঙ্গাপুর, জাপান, ভারত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন ও নেটওয়ার্ক গবেষণায় অসাধারণ অবদানের জন্য তিনি ২০২৪ সালে আইইই কানাডা জে.এম. হ্যাম আউটস্ট্যান্ডিং এডুকেটর অ্যাওয়ার্ড এবং ২০২৫ সালে আইইই কমিউনিকেশন্স সোসাইটি এডুকেশন অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন।

বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ও গবেষক প্রফেসর ড. একরাম হোসেন বিশ্বখ্যাত ক্যানাডিয়ান একাডেমি অফ ইঞ্জিনিয়ারিং (এফসিএই) এবং ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট অফ ক্যানাডার (এফইআইসি)-এর ফেলো। গবেষণায় বিশেষ অবদান রাখায় ২০১৫ সালে তিনি বিশ্বে প্রকৌশল বিজ্ঞানীদের সবচেয়ে বড় সংস্থা ইনস্টিটিউট অফ ইলেট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেট্রোনিক্স ইঞ্জিনিয়ারস (আইইই)-এর ফেলো নির্বাচিত হন। এছাড়া ২০১৬ সালে তিনি রয়েল সোসাইটি অফ কানাডার কলেজ অফ নিউ স্কলারস, আর্টিস্টস অ্যান্ড সাইন্টিস্ট-এর ফেলো হিসেবে নির্বাচিত হন।

এ পর্যন্ত প্রফেসর একরাম হোসেনের ৬০০-রও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে এবং গুগল স্কলারে তাঁর ৫১ হাজারের বেশি সাইটেশন রয়েছে। তিনি ১৯৯৫ সালে বুয়েট থেকে স্নাতক এবং ১৯৯৭ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে ২০০১ সালে তিনি কানাডার ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।