• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি ২২ বছর পর রাজশাহীতে যাচ্ছেন তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা নির্বাচনি প্রচারণায় আচরণবিধিতে পরিবর্তন আনছে নির্বাচন কমিশন

নিজের শততম টেস্ট ম্যাচ খেলতে নেমেছেন মুশফিকুর রহিম

Reporter Name / ৭৬ Time View
Update : বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ অবশেষে সব প্রতীক্ষার অবসান। ২০ বছরের আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্যারিয়ারে নিজের শততম টেস্ট ম্যাচ খেলতে নেমেছেন মুশফিকুর রহিম। বাংলাদেশের ক্রিকেটও প্রথমবার এমন নজিরের সাক্ষী হলো। মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে আজ (বুধবার) আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট খেলছে নাজমুল হোসেন শান্ত’র দল। বিসিবি থেকে মুশফিককে বরণের মধ্য দিয়ে ম্যাচের শুরুটা হয়েছে।

বল মাঠে গড়ানোর আগমুহূর্তে দুই দলের ক্রিকেটারদের উপস্থিতিতে বিসিবির শুভেচ্ছা পেয়েছেন সাবেক এই টাইগার অধিনায়ক। এই সময় মুশফিকের বাবা-মা, স্ত্রী-সন্তানও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ২০০৫ সালে মুশফিককে অভিষেক পরিয়ে দিয়েছিলেন বাংলাদেশের তৎকালীন অধিনায়ক হাবিবুল বাশার। শততম টেস্ট উপলক্ষে তাকে দেওয়া হয়েছে বিশেষ ক্যাপ। এবারও মাইলফলক ম্যাচের ক্যাপটি পেলেন বাশারের কাছ থেকে।

এ ছাড়া বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক আকরাম খান বিশেষ উপহার দিয়েছেন মুশফিককে। পরে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম ও নাজমুল আবেদীন ফাহিম ক্রেস্ট তুলে দেন তার হাতে। বিশেষ ক্যাপ ছাড়াও হাবিবুল বাশার ও বর্তমান অধিনায়ক শান্ত প্রথম ও শততম টেস্টে মুশফিকের সঙ্গে খেলা সতীর্থদের স্বাক্ষরিত একটি জার্সি উপহার দিয়েছেন।

ক্যারিয়ারের অন্যতম স্মরণীয় এই দিনে দাঁড়িয়ে মুশফিক বলেন, ‘এখানে উপস্থিত সবার প্রতি ধন্যবাদ, আমার পরিবার, স্ত্রী, সতীর্থরা, বন্ধু ও ভক্তদের। বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা জানাই। তাদের জন্য আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাব। আয়ারল্যান্ড দলকেও এখানে থাকার জন্য ধন্যবাদ।’
মুশফিককে অভিনন্দন জানিয়ে আরও লম্বা সময় পাওয়ার প্রত্যাশা অধিনায়ক শান্ত’র, ‘অভিনন্দন! আপনার এবং আপনার পরিবারের জন্য এটি অসাধারণ অর্জন। আপনার সঙ্গে খেলতে সবসময় দারুণ লাগে। আমি আপনাকে অনুসরণ করতে চেয়েছি এবং আপনার কাছ থেকেই অনুপ্রেরণা নিয়েছি। আশা করি আপনি আরও দীর্ঘ সময় খেলবেন। মাঠে আপনার পাগলামি আর কঠোর পরিশ্রমের কথা সবাই বলে, কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো– আপনি ব্যক্তিগত মাইলফলকের জন্য নয়, দলের জন্য খেলেন। এটি আমাদের সবার জন্যই অনুপ্রেরণাদায়ক, বিশেষ করে যেসব তরুণ টেস্ট ক্রিকেট খেলতে চায়।’

প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় টেস্টে টস জিতে আগে ব্যাট করছে বাংলাদেশ। একাদশে দুটি পরিবর্তন এনেছে স্বাগতিকরা, হাসান মাহমুদ ও নাহিদ রানার পরিবর্তে একাদশে ফিরেছেন এবাদত হোসেন ও খালেদ আহমেদ। এর আগে সিলেট টেস্টে দাপুটে জয়ের পর বাংলাদেশ ১-০ ব্যবধানে সিরিজে এগিয়ে আছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।