• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি ২২ বছর পর রাজশাহীতে যাচ্ছেন তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা নির্বাচনি প্রচারণায় আচরণবিধিতে পরিবর্তন আনছে নির্বাচন কমিশন

ময়মনসিংহে বিসিএসধারী প্রভাষকদের পদোন্নতির দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি

Reporter Name / ৬৬ Time View
Update : রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ ময়মনসিংহে বিসিএস সকল প্রভাষকের ভূতাপেক্ষ পদোন্নতির দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি চলছে। ময়মনসিংহ জেলা ইউনিট বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার প্রভাষক পরিষদের ব্যানারে সকালে ময়মনসিংহের সরকারি আনন্দমোহন কলেজ ফ্রন্টের সামনে প্রভাষকরা দিনব্যাপী কর্মবৃদ্ধি কর্মসূচি পালন করেন।

অনতিবিলম্বে পদোন্নতির ডিপিসি (ডিপার্টমেন্টাল প্রমোশন কমিটি) সভা সম্পন্ন করা, ৩৭তম ব্যাচ পর্যন্ত সকল পদোন্নতিবঞ্চিত প্রভাষকের ভূতাপেক্ষ পদোন্নতির জিও জারি, ৩৭ ব্যাচ পর্যন্ত যোগ্য সকলের ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি নিশ্চিত করতে অনতিবিলম্বে সুপারনিউমারারি পদসৃজন করাসহ ৪ দফা দাবিতে ময়মনসিংহ জেলার ৮টি সরকারি কলেজের কর্মরত প্রভাষকবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি পালন করছে।

এ সময় তারা দাবি করেন বিসিএসের অন্যান্য ক্যাডারে নিয়মিত পদন্নোতি দেয়া হলেও কেবল প্রভাষক হিসেবে একজন শিক্ষক ১০ থেকে ১৩ বছর ধরে শিক্ষকতা করলেও দীর্ঘদিন ধরে তারা পদন্নোতি থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে। তাই অনতিবিলম্বে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতির জিও না হওয়া পর্যন্ত লাগাতার অবস্থান ও কর্মবিরতি পালনের হুশিয়ারি দেন তারা।

এর আগে গত ৯ অক্টোবর ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে ৪ দফা দাবি উপস্থাপন করেন, সেখানে ১২ নভেম্বরের মধ্যে প্রভাষকদের দাবি বাস্তবায়ন না হলে ১৬ নভেম্বর থেকে যোগ্য সকলের ভূতাপেক্ষ পদোন্নতির জিও না হওয়া পর্যন্ত লাগাতার অবস্থান কর্মসূচির আওতায় কর্মবিরতি পালনের হুশিয়ারি দেন ৮ কলেজের প্রভাষকরা ।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।