• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি ২২ বছর পর রাজশাহীতে যাচ্ছেন তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা নির্বাচনি প্রচারণায় আচরণবিধিতে পরিবর্তন আনছে নির্বাচন কমিশন

জবিতে ‘রান উইথ শিবির’ কর্মসূচি

Reporter Name / ১৪৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ ‘চলো একসাথে হাঁটি, একসাথে দেশ গড়ি’ —স্লোগানকে ধারণ করে শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘রান উইথ শিবির’ কর্মসূচির পালন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির।

 আজ মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে কর্মসূচিটি শুরু হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক হয়ে কোর্ট এলাকা, রায় সাহেববাজার মোড়, ধোলাইখাল হয়ে ধূপখোলা মাঠে গিয়ে এটি শেষ হয়। শাখা সূত্রে জানা যায়, এ কর্মসূচিতে তিন হাজার শিক্ষার্থী অংশ নিতে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করে।

কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ইংরেজি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সিফাত সাকিব বলেন, অসাধারণ! অংশ না নিলে আফসোস করা লাগত। এমন প্রোগ্রাম আরও চাই! আমাদের জগন্নাথে বিনোদনের আলাদা ব্যবস্থা নাই। আপনারা এমন উদ্যোগ নিলে আমরা এনজয় করতে পারি।

কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক মোহতাসিম বিল্লাহ শাহিদী বলেন, শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চার জন্য সর্বপ্রথম প্রয়োজন শারীরিকভাবে সুস্থ থাকা। কিন্তু আমরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে তাকালে দেখি, এখানে শরীরচর্চার জন্য পর্যাপ্ত কোনো ব্যবস্থা নেই। আজকে জবি শিবিরের ‘রান উইথ শিবির’ কর্মসূচিতে যেভাবে শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছে, তাতে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অনেক বেশি স্বাস্থ্যসচেতন। কিন্তু এখানে শরীরচর্চার কোনো অবকাঠামো এখনো গড়ে তোলা হয়নি। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি দাবি জানাই, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসচেতনতার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে শরীরচর্চার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো যেন দ্রুত বাস্তবায়ন করা হয়।

এসময় ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ভিপি আবু সাদিক কায়েম বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের উদ্যোগে আয়োজিত ‘রান উইথ শিবির’ কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ দেখে আমার কাছে উৎসবমুখর পরিবেশ মনে হয়েছে। আমাদের এ আয়োজনের প্রধান উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীরা যেন শারীরিকভাবে সুস্থ থাকে। আগামীর বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিতে হলে শারীরিকভাবে সুস্থ থাকার বিকল্প নেই। বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে ছাত্রশিবির এ ধরনের কর্মসূচি বৃহৎ আকারে আয়োজন করতে পারেনি। কিন্তু গত ৫ আগস্টের পরিবর্তন-পরবর্তী সময়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবির শিক্ষার্থীদের জন্য একের পর এক চমৎকার আয়োজন করে চলেছে। আশা করি, এই আয়োজন ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে।

এসময় শিবিরের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক সিগবাতুল্লাহ সিগবা বলেন, এমন একটি আয়োজনের জন্য জবি শিবিরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সংকটের মধ্যে রয়েছে এবং এই সংকটে বাংলাদেশের তরুণরাই সবসময় এগিয়ে এসেছে। আমরা দেখতে পাচ্ছি একটি ফ্যাসিবাদী শক্তি আবারও বাংলাদেশকে হুমকির মধ্যে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে। আমরা মনে করি, আমাদের তরুণ সমাজ যদি সজাগ থাকে, ফিট থাকে তবে এই ফ্যাসিবাদী শক্তির মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার সুযোগ নেই। একইসঙ্গে যারা আধিপত্যবাদী শক্তি আছে, যারা বাংলাদেশে বিদেশি প্রভাব কায়েম করতে চায়— বাংলাদেশের তরুণ সমাজের পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি জানাতে চাই।

এসময় জবি শাখা শিবিরের সভাপতি রিয়াজুর ইসলাম বলেন, আজকের ‘রান উইথ জবি শিবির’ কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য ‘চলো একসঙ্গে হাঁটি, একসঙ্গে দেশ গড়ি’। আমাদের এ মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকা। আগামীর বাংলাদেশ নির্মাণ করতে হলে সুস্থ থাকার বিকল্প নেই। আমাদের এ কর্মসূচিতে তিন হাজারের মত শিক্ষার্থীরা রেজিস্ট্রেশন করে প্রায় আড়াই হাজার শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেছে। শিক্ষার্থীদের নিয়ে এ আয়োজন করতে পেরে আমরা আনন্দিত। আশা করি জবি শিবির আগামীতেও শিক্ষার্থীদের জন্য আরও কার্যকর ও চমৎকার কর্মসূচির আয়োজন করবে ইনশাআল্লাহ। সে সব কর্মসূচিতে সকল শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণের আহ্বান জানাই।

এসময় শাখা শিবিরের সাবেক সভাপতি মাকসুদুর রহমান, আসাদুল ইসলাম, শাখা সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল আলিম আরিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ জাহেদ, অফিস সম্পাদক ইব্রাহিম খলিলসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।