• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি ২২ বছর পর রাজশাহীতে যাচ্ছেন তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা নির্বাচনি প্রচারণায় আচরণবিধিতে পরিবর্তন আনছে নির্বাচন কমিশন

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

Reporter Name / ৭৩ Time View
Update : শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ‘অধিকতর উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় নির্মাণাধীন একটি ভবন থেকে পড়ে রাকিব (২৬) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশমাইল এলাকায় ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারীদের জন্য নির্মাণাধীন একটি ভবনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে রাত ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মৃত রাকিবের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে মরদেহ পরিবারের কাছে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি দাফন-কাফনের প্রাথমিক ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রথম ধাপে দুই লাখ টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় অন্যান্য করণীয় সম্পন্ন করবে বলে জানিয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাকিব ভবনের নির্মাণ বর্জ্য ভর্তি বস্তা মাথায় তুলে ১০ তলা ভবনের ৮ তলা থেকে খোলা জানালা দিয়ে নিচে ফেলতে গেলে ভারসাম্য হারিয়ে বস্তাসহ নিচে পড়ে যান। নিচে জমে থাকা নির্মাণ বর্জ্যের স্তুপে পড়ে তিনি গুরুতর আহত হন। সহকর্মীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে সাভারের ইসলামিয়া হাসপাতালে নেন। সেখান থেকে চিকিৎসক তাকে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় সেখানে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাকিবকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে এ দুর্ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জরুরি সভা আহ্বান করে। সভায় সিদ্ধান্ত হয়- নির্মাণাধীন ভবনগুলোর চারপাশে দ্বিতীয় তলা পর্যন্ত নিরাপত্তা বেষ্টনি (সেফটি নেট) স্থাপন এবং নির্মাণ সামগ্রী ওঠানামার জন্য বেল্ট প্ল্যাটফর্ম তৈরি না হওয়া পর্যন্ত এক তলার ওপরে সব নির্মাণকাজ বন্ধ থাকবে।

উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মাহফুজুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনার পেছনে কোনো গাফিলতি ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। রাতে জনসংযোগ দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন স্বাক্ষরিত এক শোকবার্তায় বলা হয়, নির্মাণ শ্রমিক রাকিবের মৃত্যু বেদনাদায়ক ও দুঃখজনক। এটি তার পরিবারের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।