• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি ২২ বছর পর রাজশাহীতে যাচ্ছেন তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা

মুশফিকের শততম টেস্ট ঘিরে বড় পরিকল্পনা বিসিবির

Reporter Name / ৮২ Time View
Update : শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ টেস্ট ক্যারিয়ারে অনন্য এক মাইলফলকের সামনে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের তারকা ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে তিনি ইতোমধ্যে লাল বলের ফরম্যাটে ৯৮ ম্যাচ খেলেছেন। আর দুটি টেস্ট খেললেই দেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ম্যাজিক ফিগারে (১০০) পৌঁছে যাবেন মুশফিক। এটি কেবল তার ব্যক্তিগত মাইলফলকই নয়, বাংলাদেশের ক্রিকেটও এমন কীর্তি আর দেখেনি।

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে নভেম্বরে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি সিরিজের সূচি আগেই ঘোষণা করেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। যেখানে নিশ্চিত হয়েছে মুশফিকুর রহিমের শততম টেস্টের ভেন্যুও। ১৯ নভেম্বর সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট হবে ফরম্যাটটিতে তার শততম ম্যাচ। দুই টেস্ট ও তিন টি-টোয়েন্টি খেলতে আগামী ৬ নভেম্বর বাংলাদেশে আসবে আইরিশরা। যদিও এখনও বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়কের নাম ঘোষণা করা হয়নি। চলতি সপ্তাহেই সিদ্ধান্ত জানাবে বিসিবি।

১১ নভেম্বর প্রথম টেস্ট শুরু হবে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। এরপর ঢাকায় ফিরে মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ১৯ নভেম্বর শুরু হবে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট। সব ঠিক থাকলে সেটাই হবে মুশফিকের শততম টেস্ট। আর এই টেস্ট ম্যাচকে কেন্দ্র করে বড় পরিকল্পনা করছে বিসিবি।

বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদিন ফাহিম জানিয়েছেন, ‘একশো টেস্ট ম্যাচ খেলা বিরাট অর্জন, আমাদের দেশে এটাই প্রথম হবে এবং এটা সেলিব্রেট করা উচিত। শুধু ক্রিকেট বোর্ড সেলিব্রেট করবে তা নয়, আমি মনে করি যারা ক্রিকেট অনুসরণ করেন তারাও সবাই সেলিব্রেট করবেন।’

এখন পর্যন্ত ৯৮ টেস্টে ১২ সেঞ্চুরি ও ২৭ ফিফটির সৌজন্যে ৩৮.১০ গড়ে ৬ হাজার ৩২৮ রান করেছেন ৩৮ বছর বয়সী ব্যাটার মুশফিক। টেস্ট ম্যাচ খেলার দিক থেকে এরপরই আছেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক মুমিনুল হক। সাদা পোশাকে তিনি ৭৩ ম্যাচ খেলেছেন। এ ছাড়া সাকিব আল হাসান ৭১, তামিম ইকবাল ৭০ এবং মোহাম্মদ আশরাফুল খেলেছেন ৬১ টেস্ট।

প্রসঙ্গত, টেস্ট সিরিজ শেষে চট্টগ্রামে চলে যাবে বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ড ক্রিকেট দল। বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লে. মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে (সাবেক জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম) ২৭, ২৯ নভেম্বর ও ২ ডিসেম্বর হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজের তিনটি ম্যাচ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।