• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

পাকিস্তানকে হাঁটু গেড়ে বসতে বাধ্য করার দাবি মোদির

Reporter Name / ৯২ Time View
Update : সোমবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশটির বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রান্তে দীপাবলি উদযাপন করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, বিক্রান্ত ভারতের সামরিক শক্তি ও আত্মনির্ভরতার প্রতীক এবং এটি অপারেশন সিন্দুরে পাকিস্তানকে হাঁটু গেড়ে বসতে বাধ্য করেছিল।

আজ সোমবার (২০ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

মূলত মোদি এবারও তার বার্ষিক ঐতিহ্য বজায় রেখে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে দীপাবলি উদযাপন করেছেন। সোমবার তিনি ভারতের প্রথম নিজস্ব নির্মিত বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রান্তে গিয়ে নৌবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে উৎসব পালন করেন। রণতরীটি সে সময় গোয়া ও কর্ণাটকের কারওয়ার উপকূলে অবস্থান করছিল।

এদিন নৌবাহিনীর শতাধিক সদস্যকে উদ্দেশ করে মোদি বলেন, “আজকের দিনটি অসাধারণ, এই দৃশ্য অবিস্মরণীয়। একদিকে আমার সামনে অসীম সাগর, অন্যদিকে ভারত মায়ের বীর সন্তানরা, এ দৃশ্য অনন্য।”

মোদি বলেন, দেশীয় প্রযুক্তি ও দক্ষতায় নির্মিত প্রথম বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রান্ত হচ্ছে ভারতের সামরিক সক্ষমতার প্রতীক। তার দাবি, “অপারেশন সিন্দুর চলাকালে কয়েক দিনের মধ্যেই এই রণতরী পাকিস্তানকে হাঁটু গেড়ে বসতে বাধ্য করেছিল।”

মোদি জানান, তিন বাহিনীর অসাধারণ সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলেই পাকিস্তানকে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হতে হয়। তিনি বলেন, “আইএনএস বিক্রান্ত কেবল একটি যুদ্ধজাহাজ নয়, এটি একবিংশ শতকের ভারতের পরিশ্রম, প্রতিভা, প্রভাবের এক জীবন্ত সাক্ষ্য।”

মোদি আরও জানান, “গত রাতটি আমি বিক্রান্তে কাটিয়েছি, সে অভিজ্ঞতা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। আমি দেখেছি, আপনাদের মধ্যে কতটা শক্তি ও উদ্দীপনা রয়েছে। গত রাতে যখন আপনাদের দেশাত্মবোধক গান গাইতে দেখলাম এবং অপারেশন সিন্দুরের কাহিনী শুনলাম, তখনই বুঝেছি— যুদ্ধে দাঁড়িয়ে একজন জওয়ান যা অনুভব করে, তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।”

তিনি বলেন, “আমার দীপাবলি এবার বিশেষ, কারণ আমি তা আপনাদের মাঝেই উদযাপন করেছি।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।