• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

গাজায় দুর্ভিক্ষ ঠেকাতে ৯ বেকারিতে দিনে ৩ লাখ রুটি উৎপাদন

Reporter Name / ৯৭ Time View
Update : রবিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ দুর্ভিক্ষের লাগাম টানতে গাজা উপত্যকার নয়টি বেকারিতে প্রতিদিন তৈরি হচ্ছে তিন লাখ রুটি। তবে ক্ষুধার্ত গাজাবাসীর চাহিদার তুলনায় কম হওয়ায় উপত্যকা জুড়ে আরও ৩০টি বেকারি পুনরায় চালুর চেষ্টা করছে জাতিসংঘ। এদিকে ত্রাণ ঢুকলেও গাজা সিটি এবং উত্তরাঞ্চলে ত্রাণবাহী ট্রাক পৌঁছানো অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। অন্যদিকে মৃত্যুঝুঁকি কমাতে শিশুদের জন্য পুষ্টি সহায়তা বিতরণে অগ্রাধিকার দেয়ার আহ্বান ইউনিসেফের।

বেকারিতে রুটি তৈরির দৃশ্য গাজা উপত্যকার অন্যতম দুর্ভিক্ষের নগরী দেইর আল বালাহর। হামাস-ইসরাইলের অস্ত্রবিরতি শুরুর পর থেকে ত্রাণ ঢুকতে থাকায় জীবন্ত হয়ে উঠছে জাতিসংঘের বেকারিগুলো।

তাজা রুটির গন্ধ যেন ক্ষুধার্ত গাজাবাসীর মনে আশার আলো জাগাচ্ছে। জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি সংস্থা (ডব্লিউএফপি) জানিয়েছে, এরইমধ্যে নয়টি বেকারিও চালু করতে সক্ষম হয়েছে তারা। এসব বেকারিগুলোতে প্রতিদিন প্রায় তিন লাখ রুটি তৈরি হচ্ছে। যা চাহিদার তুলনা খুবই সামান্য।

এমন পরিস্থিতিতে উপত্যকাজুড়ে বন্ধ থাকা আরও ৩০টি বেকারি পুনরায় চালু করার চেষ্টা করছে জাতিসংঘ। অর্থাৎ অনাহারে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়া ফিলিস্তিনিদের রক্ষায় রীতিমতো যুদ্ধ শুরু করেছে সংস্থাটি।

জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল টম ফ্লেচার বলেন, ‘আমরা প্রতিদিন ১০ লাখ খাবার সরবরাহ করতে চাই। আমরা এটি করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এটি একটি অসাধারণ মুহূর্ত। কারণ গাজাবাসীর জন্য মানবিক সহায়তায় সবাই আবারও একত্রিত হচ্ছে।’

ইসরাইলি অবরোধের কারণে কোনো ত্রাণবাহী ট্রাক ঢুকতে না পারায় এতদিন এসব বেকারি বন্ধ ছিলো। যার কারণে খাবারের অভাব চরম পর্যায় পৌঁছায়। ফলে গত আগস্টের শেষে গাজা সিটিসহ আশপাশের এলাকাগুলোকে দুর্ভিক্ষের নগরী হিসেবে ঘোষণা দেয় জাতিসংঘ।

ইসরাইলের দুই বছরের ভয়াবহ আগ্রাসন সাময়িকভাবে বন্ধের পর থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫৬০ টন খাবার ঢুকছে গাজা উপত্যকায়। তবে গাজা সিটি এবং উত্তরাঞ্চলে ত্রাণবাহী ট্রাক ঢোকা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। চাহিদা অনুযায়ী ত্রাণ ঢুকতে না পারায় দ্রুতই সবগুলো সীমান্ত খুলে দিতে ইসরাইলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির মুখপাত্র আবির এতেফা বলেন, ‘জাতিসংঘের সব অংশীদার এবং এনজিও পূর্ণ গতিতে কাজ করছে। আমরা যদি এভাবে কাজ এগিয়ে নিতে পারি, তাহলে দুর্ভিক্ষ থেকে গাজাবাসীকে ফিরিয়ে আনতে পারব। তবে এখনও গাজা সিটি এবং গাজার উত্তরে প্রবেশাধিকার অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং।’

এভাবে ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রাখা গেলে আগামী তিন মাসের মধ্যে ১৬ লাখ গাজাবাসীর কাছে খাদ্য সহায়তা পৌঁছানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। যুদ্ধবিরতির প্রথম ৬০ দিন ব্যাপকভাবে বাড়ানো হবে মানবিক সহায়তা। ৫০ হাজার শিশু তীব্র অপুষ্টির ঝুঁকিতে থাকায় পুষ্টি সহায়তা বিতরণকে অগ্রাধিকার দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে ইউনিসেফ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।