• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

রাসায়নিক দুর্যোগে জরুরি চিকিৎসায় প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ

Reporter Name / ৭৬ Time View
Update : রবিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ রাসায়নিক দুর্যোগ-দুর্ঘটনায় হতাহত ব্যক্তিদের জরুরি চিকিৎসাসেবা দেয়ার লক্ষ্যে দেশব্যাপী হাসপাতালগুলোর দক্ষতা বৃদ্ধি করতে কর্মশালার আয়োজন করেছে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ।

আজ (রোববার, ৫ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

আইএসপিআর জানায়, অর্গানাইজেশন ফর দ্য প্রহিবিশন অব কেমিক্যাল উইপন্সের (ওপিসিডব্লিউ) পরিকল্পনায় এবং বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনের (বিএনএসিডব্লিউসি) বাস্তবায়নে পাঁচ দিনব্যাপী ‘রাসায়নিক দুর্যোগ-দুর্ঘটনায় হাসপাতালসমূহের প্রস্তুতি’ শীর্ষক একটি আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ কর্মশালা আজ ঢাকায় গোল্ডেন টিউলিপ দ্য গ্র্যান্ডমার্ক হোটেলে শুরু হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণে বাংলাদেশসহ এশিয়ার ১০টি দেশের ১৮ জন প্রশিক্ষণার্থী এবং ৬ জন দেশি-বিদেশি প্রশিক্ষক অংশগ্রহণ করছে।

আইএসপিআর আরও জানায়, রাসায়নিক দুর্যোগ-দুর্ঘটনায় হতাহত ব্যক্তিদের জরুরি চিকিৎসাসেবা দেওয়ার লক্ষ্যে দেশব্যাপী হাসপাতালগুলোর দক্ষতা বৃদ্ধি করাই এই কর্মশালার মুখ্য উদ্দেশ্য। প্রশিক্ষণের ব্যবহারিক ক্লাসগুলো সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল, ঢাকা এবং কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে অনুষ্ঠিত হবে। প্রশিক্ষণে জরুরি হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা, রাসায়নিক দুর্ঘটনায় হতাহত ব্যক্তিকে রাসায়নিক দূষণ মুক্তকরণ পদ্ধতি, ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট এবং চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সেকেন্ডারি কন্টামিনেশন প্রতিরোধ শীর্ষক বিষয়াবলী গুরুত্ব পাবে।

অনুষ্ঠানে সামরিক চিকিৎসা সার্ভিস মহাপরিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল কাজী মো. রশীদ-উন-নবী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এতে দেশ-বিদেশের অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণার্থী, প্রশিক্ষক ও সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।