• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ০৯:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ঈদ উপলক্ষে ট্রেন যাত্রীদের সহায়তায় রাসিক প্রশাসকের ব্যতিক্রমী প্রশংসনীয় উদ্যোগ ‘বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচারে বাধা নেই’ দেশের সব পেট্রোল পাম্পে নিয়োগ করা হবে ট্যাগ অফিসার নেপালে নতুন সরকারের শপথের পরদিনই সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্রেপ্তার রানা প্লাজা থেকে বেঁচে ফেরা নাসিমার মৃত্যু পদ্মায় বাসডুবিতে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসছে সংসদীয় কমিটি ও সরকারি দল স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন

সাতক্ষীরায় সাংবাদিক ও ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ২ কোটি টাকার চুরি

Reporter Name / ৯৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ সাতক্ষীরা শহরে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। প্রতি ঘটনাতেই কোটি টাকার বেশি মূল্যের স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুট হয়েছে। এতে আতঙ্কে রয়েছেন নগরবাসী।

বুধবার (১ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে শহরের পুলিশ লাইনস সংলগ্ন মেহেদীবাগ এলাকায় আরটিভির জেলা প্রতিনিধি রামকৃষ্ণ চক্রবর্তীর বাড়িতে চুরি হয়।

দুর্গাপূজা উপলক্ষে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তিনি পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে বের হলে দুর্বৃত্তরা প্রধান গেট ও ঘরের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে নগদ ৮ লাখ টাকা ও ৪০ ভরি স্বর্ণালংকারসহ এক কোটি টাকারও বেশি মালামাল লুট করে নেয়।

এর আগে মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর শহরের উত্তর কাটিয়ায় পিপি চন্দ্র জুয়েলার্সের মালিক গৌতম চন্দ্রের বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি সংঘটিত হয়। পরিবারের সবাই প্রতিমা দর্শনে বাইরে গেলে দুর্বৃত্তরা জানালার গ্রিল ও ঘরের তালা ভেঙে ৬৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ দেড় লাখ টাকা নিয়ে যায়। লুট হওয়া মালামালের বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি ১৮ লাখ টাকা বলে জানা গেছে।

গৃহকর্তার ছেলে প্রীতম চন্দ্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “কাটিয়া দুর্গা মন্দিরের কাছেই আমাদের বাড়ি। মন্দিরে যখন পুলিশ ও প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা অবস্থান করছিলেন, তখনই এ লুটপাটের ঘটনা ঘটল। এটা দুর্ভাগ্যজনক।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক বলেন, “রাতে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। যেহেতু এখন পূজার সময়, এজন্য একটি চক্র এই সুযোগটা নিচ্ছে। আমরা তৎপর রয়েছি এবং চোরদের ধরতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছি। আমরা সবাইকে বলব- কেউ যেন বাড়ি ফাঁকা রেখে কোথাও না যায়। সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

পরপর দুই বড় চুরির ঘটনায় সাতক্ষীরা শহরে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। উৎসবের সময় বাড়ি ফাঁকা রেখে বাইরে যাওয়ার কারণে চক্রবদ্ধ দুর্বৃত্তরা এ সুযোগ নিচ্ছে বলে ধারণা করছে পুলিশ। এ ঘটনায় স্থানীয়দের দাবি- নগরীতে পুলিশের টহল বাড়ানো, গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সিসিটিভি নজরদারি বৃদ্ধি এবং দ্রুত চোরদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।