• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি ২২ বছর পর রাজশাহীতে যাচ্ছেন তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা নির্বাচনি প্রচারণায় আচরণবিধিতে পরিবর্তন আনছে নির্বাচন কমিশন

‘শাটডাউনের’ মুখে যুক্তরাষ্ট্র সরকার

Reporter Name / ১০৮ Time View
Update : বুধবার, ১ অক্টোবর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনার তহবিলের জোগাড়ের জন্য উত্থাপিত অন্তর্বর্তী ‘ফান্ডিং বিল’ নিয়ে একমত হতে পারেননি ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানরা। যার ফলে সরকারি কার্যক্রম বন্ধ বা ‘শাটডাউন’র আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আজ (বুধবার, ১ অক্টোবর) জার্মান গণমাধ্যম ডয়চে ভেলের প্রতিবেদনে এ বিষয়টি জানানো হয়।

শাটডাউন হলে ফেডারেল (কেন্দ্রীয়) সরকারের হাজারো কর্মচারী কাজ হারাবেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, কাজ থাকলেও তারা বেতন পাবেন না বলে মনে করছেন অনেকে।

সামাজিক সুরক্ষার জন্য যে অর্থ বরাদ্দ হয়, তা আটকে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। দেশটির গণপরিবহন সংস্থা এরইমধ্যে নানা পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে। যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে কর্মচারীদের উপর।

শাটডাউনের প্রভাব অতি জরুরি খাত ছাড়া প্রায় সব খাতের ওপর পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে নাসা, সীমান্ত সুরক্ষার মতো বিষয়গুলোতে এর কোনো প্রভাব পড়বে না বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ‘বহু মানুষের ওপর এই শাটডাউনের ভয়াবহ প্রভাব পড়তে চলেছে। তবে তার অধিকাংশই হলো ডেমোক্র্যাট।’

ট্রাম্প সরাসরি জানিয়ে দিয়েছেন, এই পরিস্থিতিতে ডেমোক্র্যাটরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

সিনেটে ডেমোক্র্যাট পার্টির সদস্যরা সংখ্যালঘু। কিন্তু ফেডারেল গভর্নমেন্ট ফান্ডিং বিল পাশ করানোর জন্য যে পরিমাণ ভোট প্রয়োজন, সেটাও এককভাবে রিপাবলিকানদের হাতে নেই। যার ফলে এই অচলাবস্থা থেকে বের হয়ে আসতে ডেমোক্র্যাটদের সাহায্য নেওয়া ছাড়া ট্রাম্পের হাতে কোনো বিকল্প নেই।

ডেমোক্র্যাটদের দাবি ছিল, স্বাস্থ্যখাতে বাড়তি কয়েক বিলিয়ন ডলার ব্যয় করতে হবে। দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠী এই উদ্যোগে সরাসরি উপকার পেতেন। কিন্তু রিপাবলিকানরা তা মানতে রাজি হয়নি। আর তার জেরেই সিনেটে অচলাবস্থা তৈরি হয়।

ডেমোক্র্যাটদের দাবি, তাদের বক্তব্যকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। রিপাবলিকানদের অভিযোগ, ডেমোক্র্যাটরা পরিস্থিতির সুযোগ নিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে শাটডাউন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

কীভাবে এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি মিলবে, তা এখনো অস্পষ্ট।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।