• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা এগিয়ে আসতে পারে তিন মাস

Reporter Name / ১৩৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে। এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হলে চলতি শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা তিন মাস এগিয়ে আসবে। গত শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা চলতি বছরের এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি শুরু হয়ে চলে শেষ পর্যন্ত।

গত বছরের ভর্তি পরীক্ষার কমিটিতে থাকা তিনজন শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে। তবে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ ঢাকা, রংপুর, খুলনা ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে এ, বি ও সি ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ১২ এপ্রিল ‘বি’ ইউনিট (ব্যবসায় শিক্ষা), ১৯ এপ্রিল ‘এ’ ইউনিট (মানবিক) ও ২৬ এপ্রিল ‘সি’ ইউনিটের (বিজ্ঞান) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিদিন এক শিফটে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল।

কবে নাগাদ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে— এমন প্রশ্নের জবাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ছাইফুল ইসলাম দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘এ বছর আগে-ভাগেই ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন ও রমজান শুরু হবে। সেক্ষেত্রে ফেব্রুয়ারির আগেই পরীক্ষা নেওয়া হতে পারে। আমি ব্যক্তিগতভাবে পরামর্শ দেব, জানুয়ারির শুরুতেই পরীক্ষা নেওয়ার জন্য। তবে ভর্তি পরীক্ষা কমিটির মিটিংয়ে সবই চূড়ান্ত হবে।’

একই ধরনের তথ্য জানিয়েছেন কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. বেলাল হোসেন। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের আগেই ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে। খুব দ্রুতই ডাকা হবে ভর্তি পরীক্ষা কমিটির মিটিং। সেখানে সার্বিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
গত বছরের তথ্যানুযায়ী, প্রাথমিক আবেদন ফি ৫৫ টাকা এবং চূড়ান্ত আবেদন ফি ‘বি’ ইউনিটে (ব্যবসায় শিক্ষা) ১১০০ টাকা এবং ‘এ’ ইউনিট (মানবিক) ও ‘সি’ ইউনিটে ১৩২০ টাকা ছিল। এক ঘণ্টা সময়সীমায় ৮০টি বহুনির্বাচনী প্রশ্নে ভর্তিচ্ছুদের মেধা মূল্যায়ন করা হয়েছিল।

যোগ্যতার বিষয়ে শর্ত ছিল—মানবিক শাখা থেকে উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের এসএসসি বা সমমান ও এইচএসসি বা সমমান উভয় পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০-সহ মোট জিপিএ ৭.০০ পেতে হবে। বাণিজ্য শাখা থেকে উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের এসএসসি বা সমমান ও এইচএসসি বা সমমান উভয় পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০-সহ মোট জিপিএ ৭.০০ পেতে হয়েছে শিক্ষার্থীদের।

বিজ্ঞান শাখা থেকে উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের এসএসসি বা সমমান ও এইচএসসি বা সমমান উভয় পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০-সহ মোট জিপিএ ৮.০০ চাওয়া হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।