• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

হাতিয়াকে জেলা বানানোর ঘোষণা দিলেন বিএনপির সাবেক এমপি ফজলুল আজিম

Reporter Name / ১২৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ হাতিয়াকে জেলা বানানোর ঘোষণা দিলেন নোয়াখালী- ৬ (হাতিয়া) আসনের তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ও আজিম গ্রুপের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফজলুল আজিম।

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় হাতিয়ার হরণি ইউনিয়নের বয়ারচর হাতিয়া বাজার জনকল্যাণ শিক্ষা ট্রাস্ট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জনসভায় বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা প্রদান করেন।

প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফজলুল আজিম বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমি বিএনপি থেকে প্রার্থী হব ইনশাআল্লাহ। হাতিয়া দ্বীপকে জেলায় রূপান্তর করব, হরণি ও চানন্দী ইউনিয়নকে উপজেলায় উন্নীত করব এবং নদীভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেব, ইনশাআল্লাহ। আমি যে কথা বলি, সে কথা রাখি।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে অনেকে বিএনপিতে যোগ দিচ্ছেন। কিন্তু যখন আমরা বিএনপি করতাম, তখন বিএনপির নাম নেওয়ার মতো কেউ ছিল না। তখন দলের সমর্থন ছিল মাত্র তিন হাজার ভোটে। সেটিকে আমরা আজ লক্ষাধিক ভোটে উন্নীত করেছি।

তিনি বলেন, ১৯৮২ সালে বেগম খালেদা জিয়া হাতিয়া সফরে এসেছিলেন। সেই সময় তিনি হরণি ও চানন্দী ইউনিয়নের নাম ঘোষণা করেন এবং দ্রুত ও সুচারুভাবে কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন। আমি অতীতে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকব এবং বর্তমানে আছি— আমৃত্যু হাতিয়ার মানুষের সেবা করে যাবো ইনশাআল্লাহ। আপনাদের সবার দোয়া চাই, আমি-ও আপনাদের জন্য দোয়া করি। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর বেশি সময় নেই; উপস্থিত নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের এখনই মাঠে নেমে পড়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

জনসভাকে কেন্দ্র করে দুপুর থেকে বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ সাধারণ জনগণ পায়ে হেঁটে জনসভাস্থলে এসে মাঠ পরিপূর্ণ করে ফেলে। এসময় তিনি বিভিন্নস্থান থেকে আসা নেতা কর্মী ও সর্বস্তরের উপস্থিত জনতা তাকে কাছে পেয়ে মনের কথা খুলে বলেন এবং বিভিন্ন দাবি জানান।

বিএনপির সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ইমাম হাসানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার খন্দকার মো. আবুল কালাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি নিজাম উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইফতেখার হোসেন স্বপন, সাবেক ছাত্র নেতা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইকবাল উদ্দিন রাশেদ, পৌরসভা বিএনপির সাবেক সভাপতি কাজী মাওলানা আব্দুর রহিম, পৌরসভা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আলা উদ্দিন, সাবেক ছাত্রদল সভাপতি আমিরুল ইসলাম প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।