
প্রিয়জন ডেস্কঃ ভাঙ্গুড়ায় শরৎনগর স্টেশনে একতা এক্সপ্রেসের যাত্রী ও গ্রামবাসীর ভেতরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ট্রেন ছাড়তে দেরি হওয়ায় ক্ষিপ্ত যাত্রীরা প্রথমে স্টেশন মাস্টারকে মারধরের চেষ্টা করে, পরে স্থানীয়দের ওপর চড়াও হয়।
রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে পার্শ্ববর্তী ভাঙ্গুড়া স্টেশনে পঞ্চগড় এক্সপ্রেসের চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে রেললাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মেরামত কাজ চলায় সোমবার রাতে শরৎনগর স্টেশনে একতা এক্সপ্রেস থামানো হয়। কিন্তু ট্রেন ছাড়তে দেরি হওয়ায় যাত্রীরা হঠাৎ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।
প্রথমে তারা স্টেশন মাস্টারকে মারধরের চেষ্টা চালায়। পরে আরও যাত্রীরা ঝামেলা করলে স্থানীয়রা বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত যাত্রীরা স্থানীয়দের ওপর হামলা চালায়। নজরুল ইসলাম নামে এক স্থানীয় মসজিদে আশ্রয় নিলে সেখানেও হামলা চালায় তারা।
পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করলে মসজিদের মাইক ব্যবহার করে গ্রামবাসীকে খবর দেওয়া হয়। মুহূর্তেই শত শত মানুষ একজোট হয়ে যাত্রীদের প্রতিহত করলে তারা পিছু হটে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় স্থানীয় দুই যুবক কামরুল হাসান রিফাত ও আকাশ নামে দুই যুবক আহত হন। খবর পেয়ে ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ট্রেন টিকে স্টেশন থেকে এক কিলোমিটার দূরে সরিয়ে নেয়।
ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার বিষয়ে জানতে পরে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।