• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ঈদ উপলক্ষে ট্রেন যাত্রীদের সহায়তায় রাসিক প্রশাসকের ব্যতিক্রমী প্রশংসনীয় উদ্যোগ ‘বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচারে বাধা নেই’ দেশের সব পেট্রোল পাম্পে নিয়োগ করা হবে ট্যাগ অফিসার নেপালে নতুন সরকারের শপথের পরদিনই সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্রেপ্তার রানা প্লাজা থেকে বেঁচে ফেরা নাসিমার মৃত্যু পদ্মায় বাসডুবিতে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসছে সংসদীয় কমিটি ও সরকারি দল স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন

৩ দিন পর রাজশাহী-ঢাকা রুটে বাস চলাচল শুরু

Reporter Name / ১১৩ Time View
Update : সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ বাস মালিক ও শ্রমিক পক্ষের সমঝোতায় রাজশাহী-ঢাকা রুটে বাস চলাচল শুরু হয়েছে।

আজ সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টা থেকে বাস চলাচল শুরু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন উত্তরবঙ্গ বাস মালিক সমিতির মহাসচিব নজরুল ইসলাম হেলাল। ফলে তিন দিন পর রাজশাহী বিভাগের তিন জেলার দূরপাল্লার বাস চলাচল শুরু হলো।

জানা গেছে, গেল ২৬ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নাটোর থেকে দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেয় মালিকপক্ষ। হঠাৎ বাস বন্ধের এমন সিদ্ধান্তে দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। তিন দিন পরে বাস চলাচল শুরু হলো। এর ফলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নাটোর, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট এবং কক্সবাজার রুটে চলাচলকারী দেশ ট্রাভেলস, ন্যাশনাল ট্রাভেলস, গ্রামীণ ট্রাভেলস, হানিফ, হানিফ কেটিসি পরিবহন চলাচল বন্ধ ছিল। এ সময়ে শুধুমাত্র চলাচল করছিল একতা ট্রান্সপোর্ট ও লোকাল বাস।

এর আগে বেতন বাড়ানোর দাবিতে গেল ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর কর্মবিরতি পালন করেছিলেন শ্রমিকরা। সে সময় মালিকদের বেতন বাড়ানোর আশ্বাসে কাজে ফেরে শ্রমিকরা। দাবি পূরণ না হওয়ায় শ্রমিকরা সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) কর্মবিরতির ডাক দেয়।

এ বিষয়ে উত্তরবঙ্গ বাস মালিক সমিতির মহাসচিব নজরুল ইসলাম হেলাল বলেন, দুই পক্ষের (বাস মালিক ও শ্রমিক) সমঝোতায় আপাতত বাস চলাচল শুরু হচ্ছে। এ নিয়ে ঢাকার গাবতলীতে বসা হয়েছিল। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।