• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি

টান টান উত্তেজনা ম্যাচে চ্যাম্পিয়ন ভারত

Reporter Name / ১০৭ Time View
Update : সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ ১৪৬ রানকেও ভারতের সামনে দুর্বোধ্য বানিয়ে ফেলেছিল পাকিস্তান। শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ১০ রান। কিন্তু এই শেষ ওভারেই হারিস রউফের বলে সব শেষ করে দিলেন তিলক বার্মা। যিনি অটল পাহাড়ের মতো দাঁড়িয়েছিলেন পাকিস্তানি বোলারদের সামনে।

হারিস রউফের প্রথম বলে ২, দ্বিতীয় বলে ছক্কা মেরেই ম্যাচ শেষ করে দেন তিনি। শেষ পর্যন্ত রিঙ্কু সিং বাউন্ডারি মেরে ভারতকে জয় এনে দিলেন। পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন হলো ভারত।

ম্যাচের শুরুতে পাকিস্তান যেভাবে ব্যাটিং শুরু করেছিল, তাতে মনে হচ্ছিল- আজ বুঝি হাই স্কোরিং একটা ম্যাচ দেখতে পাবে ক্রিকেটপ্রেমীরা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হাই স্কোরিংয়ে সম্ভাবনা জাগিয়ে তোলা ম্যাচটি পরিণত হলো লো স্কোরিংয়ে।

পাকিস্তানের করা ১৪৬ রানের সহজ ইনিংসটা পাড়ি দিতেও বেশ কষ্ট করতে হয়েছে ভারতকে। এক তিলক বার্মা যদি না দাঁড়াতেন, তাহলে জয়টা সম্ভব হতো না।

জয়ের জন্য ১৪৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামা ভারতীয় ব্যাটারদের শুরুতে বেশ চেপে ধরেছিল পাকিস্তানি বোলাররা। ২০ রানেই সেরা তিন ব্যাটার- অভিষেক শর্মা, শুভমান গিল ও সূর্যকুমার যাদবকে ফিরিয়ে দেন ফাহিম আশরাফ এবং শাহিন আফ্রিদি।

এ পরিস্থিতিতে ধুঁকতে থাকা ভারতকে টেনে তোলার দায়িত্ব নেন তিলক বার্মা এবং সাঞ্চু স্যামসন। এ দু‘জনের ৫৭ রানের জুটিতেই গড়ে ওঠে ভারতের জয়ের স্বপ্ন। একটি ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে সাঞ্জু স্যামসন সাহিবজাদা ফারহানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। ২১ বলে ২৪ রান করেন তিনি।

এরপর জুটি বাধেন তিলক বার্মা ও শিবাম দুবে। এ দু‘জনের ব্যাটে গড়ে ওঠে ৬০ রানের অনবদ্য এক জুটি। তাতেই নিশ্চিত হয়ে যায় ভারতের জয়। শেষ মুহূর্তে শিবাম দুবে ২২ বলে ৩৩ রান করে আউট হয়ে গেলে বাকি কাজ সারেন তিলক বার্মা এবং রিঙ্কু সিং।

পাকিস্তানি বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে বাজে এবং খরুচে ছিলেন হারিস রউফ। কোনো উইকেট তো পান‘ইনি। উল্টো প্রথম তিন ওভারে দিয়েছিলেন ৩৭ রান। সেই হারিস রউফের কাঁধেই শেষ ওভারে ১০ রান রক্ষার দায়িত্ব দিয়েছিলেন অধিনায়ক সালমান আগা। কিন্তু একটি করে বাউন্ডারি আর ছক্কা হজম করে ২ বল বাকি থাকতেই ভারতকে জয় উপহার দেন হারিস।

৫৩ বলে ৬৯ রানে অপরাজিত থাকেন তিলক বার্মা। ৩টি বাউন্ডারির সঙ্গে ৪টি ছক্কার মার মারেন তিনি। ফাইনাল সেরা পুরস্কারও ওঠে তিলক বার্মার হাতে।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান ১৯ ওভারে ১৪৬ রান করে অলআউট হয়। দুই ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও ফাখর জামান ৯.৪ ওভারে গড়েছিলেন ৮৭ রানের জুটি। এরপরই পতন শুরু হয় পাকিস্তানের। শেষ পর্যন্ত ১৪৬ রানে অলআউট। ৫৭ রান করেন ফারহান। ৪৬ রান করেন ফাখর জামান। কুলদিপ যাদব নেন ৪ উইকেট।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।