• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

সুপার ফোরের প্রথম লড়াইয়ে আজ শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি টাইগাররা

Reporter Name / ১০৫ Time View
Update : শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ জয় দিয়ে এশিয়া কাপে সুপার ফোর শুরুর লক্ষ্য নিয়ে দুবাই ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। গ্রুপ পর্বে লঙ্কানদের কাছে হারলেও ফাইনালের ওঠার লড়াইয়ে এ ম্যাচে জয় পেতে চাইবে টাইগার বাহিনী।

ম্যাচ শুরু হবে আজ শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায়।

জমে উঠেছে এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই। সুপার ফোরের প্রথম বাধায় দুরন্ত শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি উজ্জীবিত বাংলাদেশ। গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচে দুই জয় ও এক হারের পরও সুপার ফোর নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিলো টাইগারদের। তাকিয়ে থাকতে হয়েছে আফগানিস্তান ও শ্রীলংকার মধ্যকার ‘বি’ গ্রুপের শেষ ম্যাচের দিকে।

শ্রীলঙ্কা আফগানিস্তানকে ছয় উইকেটে হারালে, সুপার ফোর নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলা আফগানদের বিদায়ে এশিয়া কাপের ১৭তম আসরে বাংলাদেশের তৈরি হয়েছে ফাইনালে ওঠার সুযোগ।

ফাইনালের দৌড়ে টিকে থাকতে হলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় পাওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ। এবারের আসরে গ্রুপ পর্বের পয়েন্ট বিবেচ্য হবে সুপার ফোরে। এ পর্বে দুই পয়েন্ট কম নিয়ে খেলতে নামবে টাইগাররা।

গত দুই মাসে চারবার শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। দুই মাস আগে শ্রীলঙ্কার মাটিতে তিন ম্যাচের সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতেছে বাংলাদেশ। তবে গ্রুপ পর্বে এ শ্রীলঙ্কার কাছেই ছয় উইকেটে হেরেছে লিটন দাসের দল।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এখন পর্যন্ত ২১ ম্যাচের মোকাবিলায় বাংলাদেশ জিতেছে আটটি, শ্রীলঙ্কা ১৩টি। এশিয়া কাপে ১৮বার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা। এরমধ্যে লঙ্কানদের জয় ১৫টিতে এবং হার তিনটিতে। তবে টি-টোয়েন্টিতে সংস্করণে বাংলাদেশের বিপক্ষে তিনবারের মোকাবেলায় দু’বার জয় ও একবার হেরেছে লঙ্কানরা।

সংক্ষিপ্ত ভার্সনে প্রথমবার অনুষ্ঠিত ২০১৬ এশিয়া কাপ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২৩ রানে জিতেছিল বাংলাদেশ। ২০২২ সালে এশিয়ার কাপ টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে দুই উইকেটে হারিয়ে প্রতিশোধ নিয়েছিল লঙ্কানরা। আসরে শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল লঙ্কানরা।

সুপার ফোরে দুবাইয়ের উইকেটে খেলতে হবে বাংলাদেশকে। গ্রুপ পর্বে সব ম্যাচই আবুধাবির ধীর গতির উইকেটে খেলেছে লিটন-জাকেররা। দুবাইয়ের স্পোর্টিং উইকেটে কীভাবে নিজেদের মানিয়ে নেয় টাইগাররা সেটার জন্য অপেক্ষা আর কয়েক ঘণ্টার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।