• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

এশিয়া কাপ শুরু আজ

Reporter Name / ১০২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ আফগানিস্তান ও হংকং ম্যাচ দিয়ে আজ শুরু হচ্ছে এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই এশিয়া কাপের ১৭তম আসর। আগামী বছরের বিশ্বকাপকে সামনে রেখে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে হচ্ছে এবারেরে আসর। জয় দিয়ে শুরু করতে চায় শক্তিশালী আফগানিস্তান। অন্যদিকে, এশিয়া কাপে নিজেদের ইতিহাসে হারের বৃত্ত ভেঙ্গে প্রথম জয়ের লক্ষ্য হংকংয়ের।

টুর্নামেন্টের ‘বি’ গ্রুপে থাকা আফগানিস্তান ও হংকংয়ের মধ্যকার ম্যাচটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে আজ (মঙ্গলবার) বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে আটটায় শুরু হবে। এই গ্রুপের অন্য দুই দল বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা।

২০১৪ সাল থেকে এশিয়া কাপ খেলছে আফগানিস্তান। একবারও ফাইনাল খেলতে পারেনি আফগানরা। দলটির সেরা সাফল্য সুপার ফোরে খেলা। ২০১৮ ও ২০২২ আসরে সুপার ফোরে খেলেছে তারা। এবার সুপার ফোরের বাধা টপকে ফাইনালে খেলতে বদ্ধপরিকর আফগানরা।

অধিনায়ক রশিদ খান বলেন, ‘এবারের এশিয়া কাপে সেরা ক্রিকেট খেলতে চাই আমরা। টুর্নামেন্টে আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য ফাইনাল খেলা এবং চূড়ান্ত লক্ষ্য শিরোপা জয়। আমি জানি, আমাদের এই দলের ফাইনাল খেলার সামর্থ্য ও যোগ্যতা আছে। নিজ-নিজ দায়িত্ব সর্ম্পকে দলের সব খেলোয়াড়ই অবগত আছে। মাঠে নিজেদের সেরা পারফরমেন্স করতে মুখিয়ে আছে সবাই।’

সদ্য আরব আমিরাতের মাটিতে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষ করেছে আফগানিস্তান। ব্যাটিং ব্যর্থতায় ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে ৭৫ রানে হারে তারা। এই হার এশিয়া কাপে প্রভাব ফেলবে না বলে জানান রশিদ, ‘এশিয়া কাপের জন্য প্রস্তুতির মঞ্চ ছিল ত্রিদেশীয় সিরিজ। এখানে আমরা দল নিয়ে অনেক পরীক্ষা নিরীক্ষা করেছি। তাই এ সিরিজের ব্যর্থতা আমাদের দলে কোন প্রভাব ফেলবে না। আমরা মূলত, আগামী বছরের বিশ্বকাপ পরিকল্পনায় রেখে সামনে এগোচ্ছি।’

২০০৪ আসরে  প্রথমবার এশিয়া কাপ খেলতে নামে হংকং। এরপর আরও তিনবার- ২০০৮, ২০১৮ ও ২০২২ সালে এশিয়া কাপ খেলেছে তারা। এখন পর্যন্ত এশিয়া কাপের মঞ্চে কোন জয়ের দেখা পায়নি হংকং। সর্বমোট ৮ ম্যাচ খেলে সবগুলোতেই হেরেছে তারা। তবে এবারের এশিয়া কাপেই হারের বৃত্ত ভেঙ্গে প্রথম জয়ের স্বাদ নিতে চায় হংকং।

দলের অধিনায়ক ইয়াসিম মুর্তজা বলেন, ‘এবার আমরা বড় লক্ষ্য নিয়ে এশিয়া কাপ খেলতে নামছি। আমাদের প্রধান লক্ষ্য হারের বৃত্ত ভাঙ্গা এবং এশিয়া কাপে প্রথম জয় তুলে নেওয়া। এবার অতীত ইতিহাসে পাল্টে ফেলতে মরিয়া ছেলেরা।’

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।