• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

খড়খড়ি বাইপাস দৈনন্দিন বাজার কমিটির তালিকা প্রকাশ

Reporter Name / ২৩৭ Time View
Update : শনিবার, ১২ জুলাই, ২০২৫

প্রিয়জন নিউজঃ খড়খড়ি বাজারের দৈনন্দিন পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নসহ সকল কার্যাবলী তদারকির জন্য “খড়খড়ি বাইপাস দৈনন্দিন বাজার” কমিটির তালিকা প্রকাশ করেছে । বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) রাজশাহী খড়খড়ি বাইপাস চত্বরে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও খড়খড়ি বাইপাসের প্রতিষ্ঠাতা ইয়াসিন আলীকে সভাপতি এবং শফিকুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক করে বেলা ৩টায় খড়খড়ি বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠিত হয়।

খড়খড়ি বাইপাস দৈনন্দিন বাজার কমিটির সহ-সভাপতি হলেন সোহেল রানা (হিটলার), আব্বাস উদ্দিন, রিয়াজুল ইসলাম এবং সহকারী সাধারণ সম্পাদক হলেন ইউনিয়ন মেম্বার সুজন আলী, লাল মোহাম্মদ, শফিকুল ইসলাম, আব্দুল ওহাব।

এছাড়া কমিটিতে কোষাধ্যক্ষ নুর ইসলাম এবং সহকারী কোষাধ্যক্ষ এনামুল হক রয়েছে। সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছে হুমায়ুন কবির এবং সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক স্বপন। প্রচার সম্পাদকে রিপন এবং সরকারি প্রচার সম্পাদকে মফিজুর ও আকাশ। দপ্তর সম্পাদক হয়েছে মনিরুল ইসলাম (মনি)।

খড়খড়ি বাইপাস দৈনন্দিন বাজার কমিটির তালিকায় সাধারণ সদস্য হিসেবে রয়েছে আনোয়ার ইসলাম, লোকমান আলী, বাক্কার, ওয়াজেদ, আনিসুর, শহিদুলসহ আরো অনেকেই।

খড়খড়ি বাইপাস দৈনন্দিন বাজার কমিটির সভাপতি ইয়াসিন আলী জানান, খড়খড়ি বাইপাসের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য মুলত এই কমিটি গঠিত হয়েছে। এছাড়া খড়খড়ির সকল ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধ এবং একে অপরের সহযোগিতার জন্য কাজ করা হচ্ছে। খড়খড়ি বাইপাস প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘদিন থেকে সকল ব্যবসায়ীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় এবং ঐক্যবদ্ধ করতে কাজ করে আসছেন এবং ভবিষ্যতেও করবেন বলে জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।