• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

হামাস প্রধানের ‘গায়েবানা জানাজা’ পড়লো

Reporter Name / ১৯৯ Time View
Update : সোমবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৪

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল জাহিদুল ইসলাম বলেছেন, ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি বর্বরতা ও গণহত্যায় আরববিশ্বের নীরবতা ফিলিস্তিন ও মুসলিম বিশ্বের জন্য নেতিবাচক ভূমিকা রাখবে। ফিলিস্তিন দখল হলে এর বিপদ কেবল ফিলিস্তিনিদের জন্য নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের সব দেশকেও ভোগ করতে হবে।

রবিবার (২০ অক্টোবর) বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে ইসলামী ছাত্রশিবির আয়োজিত ফিলিস্তিনের হামাসপ্রধান শহীদ ইয়াহিয়া ইব্রাহিম হাসান সিনওয়ারের গায়েবানা জানাজার আগে সেক্রেটারি জেনারেল জাহিদুল ইসলাম এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, পশ্চিমা দেশগুলো নিজেদেরকে মানবতার রক্ষক দাবি করে। মানবতার ফেরিওয়ালা সেজে আমাদেরকে সবক দিতে আসেন। কিন্তু ফিলিস্তিনে গণহত্যায় তারা প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ মদত দিচ্ছে। এটা তাদেরকে চরম দ্বিচারিতার বহিঃপ্রকাশ। ইসরায়েল নারী, শিশু ও নিরীহ মানুষদের হত্যা করছে, ঘরবাড়ি ধ্বংস করছে, আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে মানুষদের আটকে রেখেছে। গাজার ওপর অবরোধের ফলে মানুষের মৌলিক চাহিদা মেটাতে বাধা হচ্ছে, শিক্ষার সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে। এই মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে জাতিসংঘ ও ওআইসির নীরবতা ফিলিস্তিনিদের জীবন আরও দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে।

তিনি হামাস-প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ারের বীরত্বের প্রশংসা করে বলেন, শহীদ সিনওয়ার ফিলিস্তিনের অধিকার রক্ষায় সাহসিকতা, দৃঢ়তা ও অবিস্মরণীয় প্রতিরোধের উদাহরণ স্থাপন করেছেন। তিনি জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করে সত্যিকারের বীরের মতো শহীদ হয়েছেন।

জানাজায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারিয়েট সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— দফতর সম্পাদক নুরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক ডা. সাদেক আব্দুল্লাহ, ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, স্কুল সম্পাদক সিদ্দিক আহমেদ, ছাত্র আন্দোলন সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, ব্যবসায় শিক্ষা সম্পাদক সালাহ উদ্দিন, স্পোর্টস সম্পাদক আসাদুজ্জামান, তথ্য সম্পাদক গালিব আব্দল্লাহ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সভাপতি আলা উদ্দিন, ঢাকা মহানগর পশ্চিম সভাপতি এইচ এম সালাউদ্দিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সেক্রেটারি ফরহাদ হোসেন প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।