• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

দলীয় ও রাজনীতিকরণ মুক্ত ক্রীড়াঙ্গন গড়তে চাই:

Reporter Name / ২১৫ Time View
Update : শনিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৪

বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদ্য সাবেক সদস্য সচিব জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক বলেছেন, গত ১৭ বছরে আওয়ামী স্বৈরাচার শেখ হাসিনার সরকার যেভাবে দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে দলীয় ও রাজনীতিকরণ করেছে, আমরা ঠিক তার উল্টোটা করতে চাই। আমরা দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে দলীয় ও রাজনীতিকরণ করবো না। আমরা দলীয়করণমুক্ত একটা ক্রীড়াঙ্গন গড়তে চাই। এর অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে, আমরা বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলে খেলাধুলা ছড়িয়ে দিতে চাই।

শুক্রবার (৪ অক্টোবর) ঢাকা উত্তরার কামারপাড়া স্কুল মাঠে ‌‌‌‌‌’আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৪’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমিনুল হক এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আজ আমাদের যুবসমাজ মাদকের দিকে ঢলে পড়েছে। যেখানে যুব সমাজকে একটা বাস্তবিক অর্থে ভালো ভবিষ্যৎ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে আমাদের খেলাধুলার আয়োজন করতে হবে। যুবসমাজকে খেলাধুলার মধ্যে সম্পৃক্ততার মধ্য দিয়ে আমরা বাংলাদেশে একটা সুন্দর মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে পারবো। তাই মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে যুব সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে।

জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক এই অধিনায়ক বলেন, আওয়ামী স্বৈরাচার সরকার দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে, সেই ক্রীড়াঙ্গনকে নতুনভাবে ঢেলে সাজাতে হবে; ঢেলে সাজাতে সবাইকে সহযোগিতায় এগিয়ে আসতে হবে।

জিয়া স্পোর্টিং ক্লাবের আয়োজনে তুরাগ থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাজী জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে জিয়া স্পোর্টিং ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি তুরাগ থানা ছাত্রদল নেতা আবির রহমান শুভর সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হাজী মোস্তফা জামান, মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক সদস্য আলাউদ্দিন সরকার টিপু, কাউন্সিলর আলী আকবর আলী, আফাজ উদ্দিন, আহসান হাবিব মোল্লা, তুরাগ থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হারুনুর রশিদ খোকা, যুগ্ম আহ্বায়ক মহিউদ্দিন সোহাগ রাজা, রিপন হাসান খন্দকার, বিমানবন্দর থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন দিলু, দক্ষিণখান থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হেলাল উদ্দিন তালুকদার, বিমানবন্দর থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান সবুজসহ প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।