• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

আগামী ১৪ মে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন

Reporter Name / ১৬০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১১ মে, ২০২৩

আগামী ১৪ মে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এবারের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদে চারজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। শেষ সময়েও ভোটারদের দ্বারে দ্বারে জানান দিচ্ছেন নিজেদের পরিকল্পনার কথা। দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি।

আর মাত্র দুদিন বাকি ভোটের। এরই মধ্যে জানা গেল এবারের নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীরা কে কোথায় ভোট দেবেন।

ডেইলি নিউজ সূত্রে জানা গেছে, এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ইস্তানবুলে ভোট দেবেন দুই মেয়াদে ক্ষমতায় থাকা রাষ্ট্রপতি রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। অন্যদিকে প্রধান বিরোধী দল এমএইচপি দলের নেতা কামাল কিলিকদারোগ্লু আঙ্কারায় ভোট দেবেন।

এ ছাড়া রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হোমল্যান্ড পার্টির নেতা মুহাররেম ইনসে এবং আতা অ্যানায়েন্সের দলের প্রার্থী সিনান ওগান আঙ্কারার কানকায়া জেলায় ভোট দেবেন।

জানা গেছে তুরস্কের পার্লামেন্টের ৬০০ আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৪টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং ১৫১ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী।

এবারের নির্বাচনে তুরস্কে মোট ভোটারের সংখ্যা ৪ কোটি ১১ লাখ ৪৭ হাজার ৯২৪ জন। এর মধ্যে বিদেশে অবস্থান করছেন প্রায় ৩০ লাখ ৪১ হাজার ভোটার। এর মধ্যে নতুন ভোটার প্রায় ২ লাখ ৭৮ হাজার ৮০০।

এ ছাড়া দেশটিতে এ বছর সব মিলিয়ে নতুন ভোটারের সংখ্যা ৪৯ লাখ ৪ হাজার ৬৭২ জন। এই নতুন ভোটাররাই নির্বাচনে বড় ফ্যাক্টর বলে মনে করা হচ্ছে। অপরদিকে মোট ভোটারের মধ্যে ৩ কোটির বেশি নারী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।