• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি ২২ বছর পর রাজশাহীতে যাচ্ছেন তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা নির্বাচনি প্রচারণায় আচরণবিধিতে পরিবর্তন আনছে নির্বাচন কমিশন

রাবিতে ছাত্রদল “ছাত্র সমাবেশ” দাবি রুহুল কবির রিজভীর মুক্তি

Reporter Name / ২০৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২ মার্চ, ২০২৩

সমাবেশে মোসাদ্দেক হোসেন বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষ আজ দিশাহারা। মানুষ এক হাজার টাকা নিয়ে বাজারে গেলে ব্যাগভর্তি বাজার আনতে পারেন না। প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির বাসায় গিয়ে নানান রকমের মাছ দিয়ে ভাত খেয়েছেন। কিন্তু সাধারণ জনগণ তা খেতে পারেন না। এই সরকার জনগণের চিন্তা করে না। আজকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে দাঁড়িয়ে যখন কথা বলছেন, তখন বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি ছাত্রসংগঠন হলে নির্যাতন, সিট–বাণিজ্য করছে। রুহুল কবির রিজভীকে গায়েবি মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। নির্যাতন করা হচ্ছে। তিনি অসুস্থ মানুষ, তবু সরকারের নির্যাতন বন্ধ হচ্ছে না। তাঁর কিছু হলে এই সরকারকেই দায়ভার নিতে হবে।

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য গোলাম মোস্তফা মামুন বলেন, এই মতিহার চত্বর রুহুল কবির রিজভীর রক্তে রঞ্জিত। তিনি প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর। তাঁকে আজ অন্যায়ভাবে কারাগারে রাখা হয়েছে। রিজভীর মুক্তি দিতে হবে। তাঁকে মুক্তি না দিলে রাজপথের আন্দোলনে তাঁকে মুক্ত করা হবে।

সমাবেশে সংহতি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসা অনুষদের ডিন ফরিদুল ইসলাম বলেন, তাঁরা আজকে গণতন্ত্রহীনতার শেষ পর্যায়ে অবস্থান করছেন। তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ দেখা যাচ্ছে রুহুল কবির রিজভীর মতো নেতাকে কারাগারে মিথ্যা মামলায় রাখা হয়েছে। তিনি এরশাদ আমলে গণতন্ত্রের জন্য গুলি খেয়েছিলেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। এ রকম হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে বিনা দোষে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে রাখা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।