• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

রাজশাহীতে বাবার বাড়ি বেড়াতে না যাওয়ায় গৃহবধূর আত্মহত্যা!

Reporter Name / ১৬৫ Time View
Update : রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

রাজশাহীর বাঘায় বাবার বাড়িতে বেড়াতে না যাওয়ায় স্বামীর ওপর অভিমান করে প্রিয়া খাতুন (২০) নামে এক গৃহবধূর আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে। 

শনিবার নিজ শয়নঘর থেকে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। 

নিহত প্রিয়া খাতুন বাউসা ইউনিয়নের দিঘা দাবিয়াতলা গ্রামের ইসলাম আলীর স্ত্রী।

জানা যায়, উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের দিঘা দাবিয়াতলা গ্রামের ইউসুফ আলীর ছেলে ইসলাম আলী ইটভাটায় কাজ করতে পাবনা সদর এলাকায় যান। সেখানে পরিচয় হয় প্রিয়া খাতুনের সঙ্গে। একপর্যায়ে প্রেম করে পরিবারের অমতে তারা বিয়ে করেন।

তার পরও পরিবারের পক্ষ থেকে তাদের বিয়ে মেনে নেওয়া হয়। তাদের সংসার ভালোই চলছিল। প্রিয়া খাতুন বাবার বাড়ি পাবনাতে বেড়াতে যেতে চায়। কয়েক দিন পর যেতে চাইলে এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়। এ দ্বন্দ্বের জের ধরে পরিবারের অজান্তে নিজ শয়নঘরের তীরের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেয়। পরে পরিবারের লোকজন বাঘা থানার পুলিশকে খবর দিলে লাশ উদ্ধার করে।

ইসলাম আলীর মা নোজেরা বেগম বলেন, সকালের খাবার খেয়ে ছেলে মাঠের কাজে যায়। আমিও বাড়ির বাইরে ছিলাম। কিছুক্ষণ পরে এসে দেখি ঘরের দরজা বন্ধ। তার পর ডাকাডাকি করা হলেও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে দেখি ওড়না দিয়ে তীরের সঙ্গে ঝুলছে।

তিনি বলেন, আমরা গরিব মানুষ। হাতে টাকা না থাকায় বৌকে নিয়ে ছেলে শ্বশুরবাড়িতে যেতে পারছে না। কয়েক দিন কাজ করে যেতে চাইছে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে একটু কথাকাটাকাটি হয়েছিল।

এ বিষয়ে বাঘা থানার ওসি সাজ্জাদ হোসেন বলেন, মৃত্যুটি রহস্যজনক মনে হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। রিপোর্ট পেলে মূল কারণ জানা যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।