• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি

তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহত মানুষের সংখ্যা ১৫ হাজার ছাড়াল

Reporter Name / ১৫৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহত মানুষের সংখ্যা ১৫ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

তুরস্কে নিহত মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৩৯১। সিরিয়ায় ২ হাজার ৯৯২ জন। দুই দেশ মিলিয়ে এখন পর্যন্ত নিহত ১৫ হাজার ৩৮৩ জন।

গত সোমবার সিরিয়ার সীমান্তবর্তী তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। তুরস্কের স্থানীয় সময় সোমবার ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে ভূমিকম্পটি হয়। যখন ভূমিকম্পটি হয়, তখন বেশির ভাগ মানুষ ঘুমে ছিল।

ভূমিকম্পে উভয় দেশে ধসে পড়েছে বহু ভবন। যে পরিমাণ ধ্বংসযজ্ঞ ভূমিকম্প রেখে গেছে, তাতে উদ্ধারকাজে এখনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি।

হিমশীতল আবহাওয়ায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি উদ্ধার তৎপরতায় সরকারি ব্যর্থতাও রয়েছে। উদ্ধারকাজের ধীরগতি নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে। মানুষের মধ্যে বাড়ছে ক্ষোভ।

ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো অজ্ঞাতসংখ্যক মানুষ আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ভূমিকম্পের তিন দিন পেরিয়ে যাওয়ায় ধসে যাওয়া ভবনগুলো থেকে জীবিত মানুষ উদ্ধারের সম্ভাবনা কমে আসছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভূমিকম্পের পর উদ্ধারকাজের জন্য ৭২ ঘণ্টা গুরুত্বপূর্ণ। উদ্ধারকাজের এখন যে পরিস্থিতি, তাতে নিহত মানুষের সংখ্যা দ্রুত বাড়তে পারে।

মানুষের ক্ষোভ-সমালোচনার মধ্যে গতকাল বুধবার ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।