• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপনির্বাচন স্বতন্ত্র প্রার্থীর ১২টি নির্বাচনি অফিস ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

Reporter Name / ১৫৫ Time View
Update : সোমবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৩

জাতীয় সংসদ উপনির্বাচনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সামিউল হক লিটনের (আপেল প্রতীক) ১১টি নির্বাচনি অফিস ভাঙচুর ও একটিতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে ফেস্টুন পোস্টার ও ব্যানার। 

রোববার (২৮ জানুয়ারি) রাতে শহরের বাতেন খাঁর মোড়ের প্রধান নির্বাচনি অফিস, হাজিপড়া, উদয়ন মোড়, রেলগেট, বিদিরপুর, উদয় সংঘ মোড়, ফুড অফিস মোড়ের অফিসসহ ১১টি নির্বাচনি প্রচার অফিস ভাঙচুর করে স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। 

খবর পেয়ে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাঈমা খান বাতেন খাঁর মোড়ের ভাঙচর করা প্রধান নির্বাচনি অফিস পরিদর্শন করেন। এদিকে রাত সাড়ে ১২টার দিকে শান্তি মোড়ে অবস্থিত নির্বাচনি প্রচার অফিসটিও ভাঙচুর করা হয়। 

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত সাড়ে ৯টার দিকে ২০-২২ জন স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এসে অতর্কিতভাবে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি সামিউল হক লিটনের শহরের বাতেন খাঁর মোড়ের প্রধান নির্বাচনি অফিস ভাঙচুর করেন। এ ছাড়া মোটরসাইকেলযোগে এসে অন্যান্য নির্বাচনি অফিসগুলোতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এ সময় তারা নির্বাচনি কার্যালয়ের চেয়ার, টেবিলসহ নির্বাচনি সরঞ্জাম ভাঙচুর করে দ্রুত পালিয়ে যায়। আলীনগর রেলগেট মোড়ের নির্বাচনি অফিসটিতে অগ্নিসংযোগ করা হয়।

উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী সামিউল হক লিটন অভিযোগ করে বলেন, রোববার রাত ৯টার পর থেকে আমার ১১টি নির্বাচনি অফিস ভাঙচুর করেছে। আমার জনপ্রিয়তায় ইর্ষান্বিত হয়ে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর লোকজন এ ধরনের নোংরা কাজ করেছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের কাছে প্রত্যাক্ষদর্শীরা ভাঙচুরকারীদের নাম বলেছে। আমি বিশ্বাস রাখতে চাই রিটার্নিং কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রশাসন এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল কালাম শাহিদ বলেন, দুর্বৃত্তরা দ্রুত এসে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে পালিয়ে যায়। যার কারণে তাদের ধরা সম্ভব হয়নি। পুলিশের টহল টিম মাঠে কাজ করছে। অপরাধীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক একেএম গালিভ খাঁন জানান, স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনি অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে ম্যাজিস্ট্রেট পাঠানো হয়েছে। তারা মাঠে কাজ করছেন। নির্বাচনে এ রকম বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটে থাকে। আমরা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যপারে বদ্ধপরিকর। ভোটাররা ১ ফেব্রুয়ারি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন, সেটি বাস্তবায়ন করাই আমাদের লক্ষ্য।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।